বহুল প্রতীক্ষিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। এই শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে দেশের সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ পূর্ণতা লাভ করেছে এবং নতুন সরকার পরিচালনার পথ প্রশস্ত হয়েছে। জাতীয় সংসদের স্পিকারের নেতৃত্বে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী শপথ গ্রহণ করেন।
শপথ গ্রহণের পর, সরকারি ও বিরোধী দল উভয়ই তাদের নিজ নিজ কর্মপন্থা নির্ধারণের জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছে। সরকারি দলের সদস্যরা দেশের উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দিয়ে আগামী দিনগুলোতে কিভাবে কাজ করা যায় সে বিষয়ে নীতি নির্ধারণী আলোচনা শুরু করেছেন। অন্যদিকে, বিরোধী দলের সদস্যরাও তাদের গঠনমূলক ভূমিকা পালনের জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করছেন। সংসদীয় কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে নিজেদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন তারা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হওয়ার পর থেকেই দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন গতি সঞ্চার হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা কিভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করেন এবং দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে কি অবদান রাখেন। আশা করা হচ্ছে, সংসদীয় গণতান্ত্রিক রীতিনীতি অনুসরণ করে সরকারি ও বিরোধী উভয় পক্ষই গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে অংশ নেবে।
—
রিপোর্টারের নাম 








