বিমানবন্দরে যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন এবং প্রবাসীদের ভোগান্তি লাঘবে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি জানিয়েছেন, একজন যাত্রী ইমিগ্রেশন কার্যক্রম শেষ করার সঙ্গে সঙ্গেই যাতে তার হাতে লাগেজ পৌঁছে যায়, সেই লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু করেছে সরকার।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে দায়িত্ব পালনের প্রথম দিনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, বিমানবন্দরে যাত্রীদের দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা এবং লাগেজ হ্যান্ডেলিংয়ের ক্ষেত্রে যে অব্যবস্থাপনা রয়েছে, তা দূর করতে ইতিমধ্যে একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষ করে রেমিট্যান্স যোদ্ধারা যাতে বিমানবন্দরে এসে কোনো ধরনের দুর্নীতি বা হয়রানির শিকার না হন, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।
এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, “আমাদের মূল লক্ষ্য হলো যাত্রী ইমিগ্রেশন শেষ করে বেল্টের সামনে যাওয়ার আগেই যেন তার লাগেজ সেখানে পৌঁছে যায়। সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে আমরা এমন একটি ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে চাই, যাতে সাধারণ মানুষ বিমানবন্দরে পা রাখলেই সেবার মানের পরিবর্তন অনুভব করতে পারেন।”
টিকিট সিন্ডিকেটের বিষয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বিমানে সিট খালি থাকা সত্ত্বেও সাধারণ যাত্রীরা টিকিট পাচ্ছেন না—এমন অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়। এর পেছনে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট কাজ করছে। আমরা এই চক্রটি ভেঙে দিতে বদ্ধপরিকর। টিকিট বিক্রিতে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে আমরা কাজ করছি।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান ও সচিবের সঙ্গে ইতিমধ্যে আলোচনা হয়েছে। বিমানবন্দরকে ঢেলে সাজানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আমূল পরিবর্তন একদিনে সম্ভব না হলেও, আগামী এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যেই যাত্রীরা সেবার ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক পরিবর্তনের আভাস পাবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। জামালপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মিল্লাত জানান, শুধু টিকিট নয়, লাগেজ হ্যান্ডেলিং থেকে শুরু করে বিমানবন্দরের প্রতিটি স্তরে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনাই তার প্রধান লক্ষ্য।
রিপোর্টারের নাম 









