ঢাকা ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬

নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে জয়শঙ্করের অভিনন্দন: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয়

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০৮:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের নতুন মন্ত্রিসভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করায় ড. খলিলুর রহমানকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর। দুই দেশের পারস্পরিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে আগামী দিনগুলোতে একসঙ্গে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বার্তায় ড. খলিলুর রহমানকে এই অভিনন্দন জানান। বার্তায় জয়শঙ্কর উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ায় ড. খলিলুর রহমানকে স্বাগত। দুই দেশের সাধারণ অগ্রগতি এবং সমৃদ্ধির ধারাকে আরও বেগবান করতে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে তিনি উন্মুখ হয়ে আছেন।

পেশাদার কূটনীতিবিদ ও অর্থনীতিবিদ ড. খলিলুর রহমান এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং প্রধান উপদেষ্টার রোহিঙ্গা সমস্যা বিষয়ক ‘হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ’ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মজীবন ও শিক্ষা জীবনের পটভূমি অত্যন্ত সমৃদ্ধ। ১৯৭৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করার পর, ১৯৭৯ সালে তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পররাষ্ট্র) ক্যাডারে যোগদান করেন।

উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে তিনি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্রের টাফটস ও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন ও কূটনীতিতে এমএ এবং অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

ড. খলিলুর রহমান ১৯৮৩ থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়া বিভাগে এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এরপর ১৯৮৫ সালে তিনি নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে নিযুক্ত হন। ১৯৯১ সালে তিনি জাতিসংঘ সচিবালয়ে যোগ দেন এবং জেনেভায় জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলনে (আঙ্কটাড) বিশেষ উপদেষ্টা হিসেবে দীর্ঘ সময় কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।

অভিজ্ঞ এই কূটনীতিকের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় প্রতিবেশী দেশ ভারতের পক্ষ থেকে আসা এই অভিনন্দন বার্তা দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানজুড়ে ব্যাপক হামলা: ২০ প্রদেশ লক্ষ্যবস্তু, রেড ক্রিসেন্টের সতর্কবার্তা

নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে জয়শঙ্করের অভিনন্দন: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয়

আপডেট সময় : ০৭:০৮:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের নতুন মন্ত্রিসভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করায় ড. খলিলুর রহমানকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর। দুই দেশের পারস্পরিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে আগামী দিনগুলোতে একসঙ্গে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বার্তায় ড. খলিলুর রহমানকে এই অভিনন্দন জানান। বার্তায় জয়শঙ্কর উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ায় ড. খলিলুর রহমানকে স্বাগত। দুই দেশের সাধারণ অগ্রগতি এবং সমৃদ্ধির ধারাকে আরও বেগবান করতে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে তিনি উন্মুখ হয়ে আছেন।

পেশাদার কূটনীতিবিদ ও অর্থনীতিবিদ ড. খলিলুর রহমান এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং প্রধান উপদেষ্টার রোহিঙ্গা সমস্যা বিষয়ক ‘হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ’ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মজীবন ও শিক্ষা জীবনের পটভূমি অত্যন্ত সমৃদ্ধ। ১৯৭৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করার পর, ১৯৭৯ সালে তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পররাষ্ট্র) ক্যাডারে যোগদান করেন।

উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে তিনি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্রের টাফটস ও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন ও কূটনীতিতে এমএ এবং অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

ড. খলিলুর রহমান ১৯৮৩ থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়া বিভাগে এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এরপর ১৯৮৫ সালে তিনি নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে নিযুক্ত হন। ১৯৯১ সালে তিনি জাতিসংঘ সচিবালয়ে যোগ দেন এবং জেনেভায় জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলনে (আঙ্কটাড) বিশেষ উপদেষ্টা হিসেবে দীর্ঘ সময় কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।

অভিজ্ঞ এই কূটনীতিকের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় প্রতিবেশী দেশ ভারতের পক্ষ থেকে আসা এই অভিনন্দন বার্তা দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে বলে মনে করা হচ্ছে।