ঢাকা ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তারকা ফুটবলার মেসুত ওজিল ও এরদোয়ান পুত্র; ঘিরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৯:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

জার্মানির বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার মেসুত ওজিল এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের পুত্র বিলাল এরদোয়ান গত বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মর্তুজা মেডিকেল সেন্টারের উন্নয়ন প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনে যোগ দেন তারা। এই আয়োজনে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ না থাকায় তাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) সূত্রে জানা যায়, তুর্কি সরকারের উন্নয়ন সংস্থা ‘টিকা’ (TIKA) শহীদ মর্তুজা মেডিকেল সেন্টারের সংস্কার ও আধুনিকায়নে সহায়তা দিচ্ছে। এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন উপলক্ষে তারকা ফুটবলার মেসুত ওজিল ও বিলাল এরদোয়ান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন।

ডাকসুর ক্রীড়া সম্পাদক আরমান হোসেন জানান, এই প্রকল্পের আওতায় মেডিকেল সেন্টারটি ইতোমধ্যে প্রায় ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা পেয়েছে।

জানা গেছে, মেসুত ওজিল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশে পৌঁছান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠান শেষে পরদিন (১৯ ফেব্রুয়ারি) তার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একটি ইফতার কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা ছিল। একই রাতে তার দেশ ছাড়ার কথা। সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার আগে মেসুত ওজিল ও বিলাল এরদোয়ানের সাক্ষাৎ হয় রাজধানীর একটি হোটেলে। সেখান থেকেই তারা একত্রে ঢাবির অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

তবে তারকা এই ফুটবলারের আগমনকে ঘিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী সাব্বির ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, এত বড় একজন আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ব্যক্তিত্বের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার বিষয়টি আগে থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। তার মতে, শেষ মুহূর্তে কেবল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি প্রকাশের মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়, যার ফলে ওজিলের অসংখ্য ভক্ত শিক্ষার্থী তাকে সরাসরি দেখার ও তার সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ ভবিষ্যতে এমন আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বদের আগমনের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ডাকসুর পক্ষ থেকে আরও স্বচ্ছ ও আগাম যোগাযোগের দাবি জানিয়েছেন, যাতে শিক্ষার্থীরাও এসব আয়োজনে অংশগ্রহণের সুযোগ পান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানজুড়ে ব্যাপক হামলা: ২০ প্রদেশ লক্ষ্যবস্তু, রেড ক্রিসেন্টের সতর্কবার্তা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তারকা ফুটবলার মেসুত ওজিল ও এরদোয়ান পুত্র; ঘিরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

আপডেট সময় : ০৫:৪৯:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জার্মানির বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার মেসুত ওজিল এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের পুত্র বিলাল এরদোয়ান গত বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মর্তুজা মেডিকেল সেন্টারের উন্নয়ন প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনে যোগ দেন তারা। এই আয়োজনে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ না থাকায় তাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) সূত্রে জানা যায়, তুর্কি সরকারের উন্নয়ন সংস্থা ‘টিকা’ (TIKA) শহীদ মর্তুজা মেডিকেল সেন্টারের সংস্কার ও আধুনিকায়নে সহায়তা দিচ্ছে। এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন উপলক্ষে তারকা ফুটবলার মেসুত ওজিল ও বিলাল এরদোয়ান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন।

ডাকসুর ক্রীড়া সম্পাদক আরমান হোসেন জানান, এই প্রকল্পের আওতায় মেডিকেল সেন্টারটি ইতোমধ্যে প্রায় ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা পেয়েছে।

জানা গেছে, মেসুত ওজিল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশে পৌঁছান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠান শেষে পরদিন (১৯ ফেব্রুয়ারি) তার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একটি ইফতার কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা ছিল। একই রাতে তার দেশ ছাড়ার কথা। সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার আগে মেসুত ওজিল ও বিলাল এরদোয়ানের সাক্ষাৎ হয় রাজধানীর একটি হোটেলে। সেখান থেকেই তারা একত্রে ঢাবির অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

তবে তারকা এই ফুটবলারের আগমনকে ঘিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী সাব্বির ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, এত বড় একজন আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ব্যক্তিত্বের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার বিষয়টি আগে থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। তার মতে, শেষ মুহূর্তে কেবল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি প্রকাশের মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়, যার ফলে ওজিলের অসংখ্য ভক্ত শিক্ষার্থী তাকে সরাসরি দেখার ও তার সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ ভবিষ্যতে এমন আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বদের আগমনের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ডাকসুর পক্ষ থেকে আরও স্বচ্ছ ও আগাম যোগাযোগের দাবি জানিয়েছেন, যাতে শিক্ষার্থীরাও এসব আয়োজনে অংশগ্রহণের সুযোগ পান।