জাতীয় সংসদ সদস্য হাসনাত তার নির্বাচনী এলাকায় চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। যারা চাঁদা তুলতে আসবে, তাদের হাতেনাতে ধরে পুলিশে সোপর্দ করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে, এই প্রক্রিয়ায় যেকোনো জটিলতা বা হুমকির দায়ভার নিজে নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করেছেন এই জনপ্রতিনিধি। চাঁদাবাজমুক্ত এলাকা গড়ার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি স্থানীয় প্রশাসন ও জনসাধারণের সহযোগিতা চেয়েছেন।
সম্প্রতি [তারিখ] তারিখে [স্থান]-এ আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি হাসনাত এই কড়া বার্তা দেন। তিনি বলেন, এলাকার উন্নয়ন এবং মানুষের শান্তি বিঘ্নিত করার কোনো সুযোগ চাঁদাবাজদের দেওয়া হবে না। ব্যবসা-বাণিজ্য ও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে নির্বিঘ্ন রাখতে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ অপরিহার্য।
এমপি হাসনাত বলেন, “কেউ যদি আপনাদের কাছে এসে চাঁদা দাবি করে, তাকে সঙ্গে সঙ্গে ধরে ফেলুন। প্রয়োজনে বেঁধে রাখুন এবং অবিলম্বে পুলিশকে খবর দিন। পুলিশ এসে তাদের গ্রেফতার করবে। এই নিয়ে যদি কেউ আপনাদের উপর কোনো চাপ সৃষ্টি করে বা হুমকি দেয়, তার দায়ভার আমি নেব। আমি আপনাদের পাশে আছি এবং চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, চাঁদাবাজির কারণে অনেক নতুন উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারী এলাকায় আসতে ভয় পান, যা কর্মসংস্থান সৃষ্টি ব্যাহত করে এবং এলাকার অর্থনৈতিক অগ্রগতি মন্থর করে তোলে। তিনি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন। তার নির্বাচনী এলাকায় কোনো চাঁদাবাজকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না বলেও তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে ঘোষণা করেন।
এমপি হাসনাতের এই কঠোর বার্তা এলাকায় চাঁদাবাজি রোধে সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার করেছে। তারা মনে করছেন, এমন সাহসী ও সরাসরি পদক্ষেপের মাধ্যমে এলাকার দীর্ঘদিনের চাঁদাবাজি সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে এবং একটি শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ পরিবেশ তৈরি হবে।
রিপোর্টারের নাম 



















