বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই কর্মব্যস্ততা শুরু হয়েছে। সরকারের প্রথম আনুষ্ঠানিক নীতি-নির্ধারণী আলোচনা এবং গুরুত্বপূর্ণ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণের লক্ষ্যে আগামীকাল (বুধবার) মন্ত্রিপরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
নতুন সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীকাল সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে তাঁর দিনের কর্মসূচি শুরু করবেন। এরপর তিনি সচিবালয়ে তাঁর দাপ্তরিক কার্যাবলী শুরু করবেন। সেখানে তিনি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিতি পর্ব ও মতবিনিময় করবেন।
সকাল ১০টায় জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর প্রধানমন্ত্রী দুপুর সাড়ে ১২টায় সচিবালয়ে পৌঁছাবেন। সেখানে তিনি তাঁর জন্য নির্ধারিত দপ্তরে অফিস করবেন এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সভায় অংশ নেবেন।
মধ্যাহ্নভোজের পর বেলা ৩টায় প্রধানমন্ত্রী তাঁর নবনির্বাচিত মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের নিয়ে একটি বিশেষ বৈঠকে বসবেন। যদিও এই বৈঠকের কোনো সুনির্দিষ্ট আলোচ্যসূচি জানানো হয়নি, তবে এটি নতুন সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক আলোচনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
একই দিন বিকেল ৪টায় প্রধানমন্ত্রী সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হবেন। এই সভায় তিনি আমলাতন্ত্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে নতুন সরকারের অগ্রাধিকারসমূহ, জনআকাঙ্ক্ষা পূরণ এবং সামগ্রিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে দিকনির্দেশনা প্রদান করবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজয়ী হয়েছে। ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি আসনে জয়লাভ করেছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসন নিয়ে দ্বিতীয় বৃহত্তম দল হিসেবে স্থান পেয়েছে। এই নির্বাচনে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ (প্রায় ১৫০ জন) প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, যা দেশের আইনসভায় নতুনত্বের ছোঁয়া এনেছে।
রিপোর্টারের নাম 




















