ঢাকা ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬

বাগাতিপাড়ায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণে অনিয়মের পাহাড়: নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ

নাটোরের বাগাতিপাড়ায় প্রায় ৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামের কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, সিডিউল অনুযায়ী কাজ না করে চিকন রড, নিম্নমানের ইট এবং অতিরিক্ত বালু ব্যবহার করে নির্মাণকাজ চালানো হচ্ছে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধীনে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পটি নিয়ে জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে যে, দিনের বেলা কাজ করার পরিবর্তে অনেক ক্ষেত্রে রাতের আঁধারে কাজ করা হচ্ছে যাতে অনিয়মগুলো ধরা না পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিবাদ করলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে উল্টো মামলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটির কাছে কাজের সিডিউল দেখতে চাইলে তারা তা দেখাতে অস্বীকৃতি জানায়।

বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও এক মাসেও কোনো তদন্ত শুরু হয়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সরকারি এই প্রকল্পে সঠিক তদারকির অভাবে অর্থ অপচয় ও দীর্ঘস্থায়ীত্বের ঝুঁকি বাড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জনবান্ধব ও দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠনে ডিসিদের কঠোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

বাগাতিপাড়ায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণে অনিয়মের পাহাড়: নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৪:৪১:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

নাটোরের বাগাতিপাড়ায় প্রায় ৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামের কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, সিডিউল অনুযায়ী কাজ না করে চিকন রড, নিম্নমানের ইট এবং অতিরিক্ত বালু ব্যবহার করে নির্মাণকাজ চালানো হচ্ছে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধীনে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পটি নিয়ে জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে যে, দিনের বেলা কাজ করার পরিবর্তে অনেক ক্ষেত্রে রাতের আঁধারে কাজ করা হচ্ছে যাতে অনিয়মগুলো ধরা না পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিবাদ করলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে উল্টো মামলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটির কাছে কাজের সিডিউল দেখতে চাইলে তারা তা দেখাতে অস্বীকৃতি জানায়।

বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও এক মাসেও কোনো তদন্ত শুরু হয়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সরকারি এই প্রকল্পে সঠিক তদারকির অভাবে অর্থ অপচয় ও দীর্ঘস্থায়ীত্বের ঝুঁকি বাড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।