বাংলাদেশে এক নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। একাদশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। এই নতুন সরকারের প্রথম কর্মদিবস থেকেই ব্যস্ত সময় পার করবেন মন্ত্রিসভার সদস্যরা। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বুধবার সচিবালয়ে তার প্রথম দপ্তরে বসবেন এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেবেন। এর আগে সকালে তিনি সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।
সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাবেন। এই শ্রদ্ধা নিবেদন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নতুন সরকারের আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু হবে।
জাতীয় স্মৃতিসৌধ থেকে ফিরে প্রধানমন্ত্রী দুপুর সাড়ে ১২টায় সচিবালয়ে পৌঁছাবেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত দপ্তরে তিনি প্রথমবার অফিস করবেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম দিনেই তিনি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিত হবেন এবং সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন।
দুপুরের খাবারের পর বেলা ৩টায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে এক বিশেষ বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। যদিও এই বৈঠকের জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো কার্যসূচি নির্ধারণ করা হয়নি, তবে এটিই হবে নতুন সরকারের প্রথম আনুষ্ঠানিক নীতি-নির্ধারণী আলোচনা। এই বৈঠকে সরকার পরিচালনার প্রাথমিক দিকনির্দেশনা ও অগ্রাধিকারসমূহ নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এরপর বিকেল ৪টায় প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় মিলিত হবেন। আমলাতন্ত্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এই বৈঠকে তিনি নতুন সরকারের জনআকাঙ্ক্ষা পূরণে এবং অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ২৯৭টি আসনের চূড়ান্ত ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছে। এই নির্বাচনে বিএনপি ২০৯টি আসন পেয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬৮টি আসন লাভ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এছাড়া অন্যান্য জোট, দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বাকি আসনগুলোতে জয়লাভ করেছেন। এবারের সংসদে প্রায় ১৫০ জন নতুন মুখ রয়েছেন, যারা এর আগে কখনো সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হননি।
রিপোর্টারের নাম 




















