দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ২৫ জন সংসদ সদস্য পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান। শপথ গ্রহণের পরপরই ঘোষণা করা হয়েছে নবগঠিত মন্ত্রিসভার সদস্যদের দপ্তর বণ্টন, যেখানে কে কোন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন, তার বিস্তারিত চিত্র উঠে এসেছে।
রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন নবনিযুক্ত মন্ত্রীরা। এরপরই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে তাদের দপ্তর বণ্টন প্রকাশ করা হয়।
ঘোষিত দপ্তর অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অর্থ মন্ত্রণালয় এবং পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের গুরুদায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্ব দেবেন সালাহউদ্দিন আহমদ। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে এসেছেন ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। হাফিজ উদ্দিন আহমেদকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী করা হয়েছে।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগল দায়িত্ব পেয়েছেন এ জেড এম জাহিদ হোসেন। টেকনোক্র্যাট কোটায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে খলিলুর রহমানকে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হয়েছেন আবদুল আউয়াল মিন্টু। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ। ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে এসেছেন মিজানুর রহমান মিনু। নিতাই রায় চৌধুরীকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী করা হয়েছে।
খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয় এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মতো তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আরিফুল হক চৌধুরীকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বভার দেওয়া হয়েছে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হয়েছেন জহির উদ্দিন স্বপন। টেকনোক্র্যাট হিসেবে কৃষি মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন আমিন উর রশিদ।
আফরোজা খানম রিতা বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হয়েছেন। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানিকে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে এসেছেন আসাদুল হাবীব দুলু। মো. আসাদুজ্জামানকে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী করা হয়েছে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে এসেছেন জাকারিয়া তাহের সুমন। দীপেন দেওয়ান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হয়েছেন।
আ ন ম এহসানুল হক মিলনকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হয়েছেন। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ফকির মাহবুব আনামকে। সর্বশেষ, শেখ রবিউল আলমকে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের মতো তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 






















