বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গতকাল (মঙ্গলবার) রাজধানী ঢাকায় এসেছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতা ও উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা। এই উপস্থিতি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পালাবদলের প্রতি আঞ্চলিক আগ্রহ এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সহযোগিতার গভীর প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেছে।
নবগঠিত সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে মঙ্গলবার সকালে সর্বপ্রথম ঢাকায় পৌঁছান মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ড. মোহামেদ মুইজ। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এম. তৌহিদ হোসেন।
ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগেও বাংলাদেশ সরকারের আমন্ত্রণে শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। ভুটান দূতাবাসের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তার এই সফর বাংলাদেশের প্রতি ভুটানের অব্যাহত সমর্থন এবং দীর্ঘমেয়াদী বন্ধুত্বের প্রতিফলন। একইসাথে এটি দুই দেশের দৃঢ় দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেন দেশটির লোকসভা স্পিকার ওম বিড়লা। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্পিকারের এই অংশগ্রহণ দুই দেশের জনগণের মধ্যে বিদ্যমান গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বকে তুলে ধরে এবং অভিন্ন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি ভারতের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে।
পাকিস্তানের পক্ষে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশটির পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও বিশেষ উদ্যোগ বিষয়ক মন্ত্রী আহসান ইকবাল চৌধুরী।
নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দ শর্মাও শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ঢাকায় এসেছিলেন। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. নজরুল ইসলাম এবং নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি। এই সফর দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্কের ধারাবাহিকতা প্রমাণ করে।
কলম্বোর প্রতিনিধিত্ব করেন শ্রীলঙ্কার স্বাস্থ্য ও গণমাধ্যম মন্ত্রী ড. নলিন্দা জয়তিসা। শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তার অংশগ্রহণ বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
দক্ষিণ এশিয়ার এই শীর্ষ নেতা ও উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ বাংলাদেশের নবগঠিত সরকারের প্রতি আঞ্চলিক সমর্থন এবং ভবিষ্যতের দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচনের ইঙ্গিত বহন করছে।
রিপোর্টারের নাম 






















