বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ঢাকা পৌঁছেছেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু। মঙ্গলবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এম তৌহিদ হোসেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত হতে যাওয়া নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতেই তার এই সফর। মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের পাশাপাশি তুরস্কের আন্ডার সেক্রেটারি বেরিস একিনচিও এই রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বিএনপি। দলটি এককভাবে ২০৯টি আসনে বিজয়ী হয়েছে এবং শরিক দলগুলোসহ তাদের মোট আসন সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১২টিতে। প্রায় দুই দশকের দীর্ঘ বিরতির পর আবারও রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে দলটি।
মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এক জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে দেশি-বিদেশি প্রায় ১ হাজার ২০০ অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
বিদেশি অতিথিদের মধ্যে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং পাকিস্তানের মন্ত্রী আহসান ইকবালসহ দক্ষিণ এশিয়ার পাঁচটি দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। এছাড়াও যুক্তরাজ্যের ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি সীমা মালহোত্রা, নেপালের প্রতিনিধি বালা নন্দা শর্মা এবং শ্রীলঙ্কার প্রতিনিধি নালিন্দা জয়াতিসাও আমন্ত্রিত অতিথিদের তালিকায় রয়েছেন।
এর আগে, নতুন সরকারের এই শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস চীন, ভারত ও পাকিস্তানসহ মোট ১৩টি দেশের সরকারপ্রধানকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। আমন্ত্রিত দেশগুলোর মধ্যে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই ও মালদ্বীপসহ অন্যান্য বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্রগুলো রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বিশ্বনেতাদের এই উপস্থিতি বাংলাদেশের নতুন সরকারের জন্য একটি ইতিবাচক কূটনৈতিক বার্তা বহন করছে।
রিপোর্টারের নাম 






















