দেশের সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিকায়ন এবং যেকোনো ধরনের বহিঃশত্রুর আক্রমণ মোকাবিলায় সক্ষম করে গড়ে তুলতে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সোমবার রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বিগত দীর্ঘ স্বৈরাচারী শাসনামলে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আধুনিকায়নের বিষয়টি সুপরিকল্পিতভাবে অবজ্ঞা করা হয়েছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই এই অচলাবস্থা কাটিয়ে ওঠার উদ্যোগ নিয়েছে এবং অত্যন্ত অল্প সময়ের মধ্যে মৌলিক পরিবর্তনের সূচনা করতে সক্ষম হয়েছে।
ড. ইউনূস তাঁর বক্তব্যে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সামরিক শক্তির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি একটি ব্যয়বহুল প্রক্রিয়া হওয়া সত্ত্বেও বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে এর কোনো বিকল্প নেই। বহির্বিশ্বের সম্ভাব্য হুমকি ও আগ্রাসন কার্যকরভাবে রুখে দিতে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীকে আধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত ও শক্তিশালী করে গড়ে তোলাকে বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া এসব উদ্যোগের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, সীমাবদ্ধ সময়ের মধ্যেও তিন বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সুদূরপ্রসারী ও কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা, স্বাধীনতা এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের নেওয়া এই আধুনিকায়ন প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে। তিনি বিশ্বাস করেন, পরবর্তী সময়ে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারগুলোও দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে এই উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখবে।
রিপোর্টারের নাম 

























