বগুড়া শহরের টেম্পল রোডে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ জেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ‘বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগ’ নামে ফেসবুক আইডিতে এ সংক্রান্ত ছবি সহকারে একটি পোস্ট দেওয়া হয়। দিনের যেকোনও সময় দোতলায় এ পতাকাটি উত্তোলন করা হয়েছে।
ফেসবুকের ওই পোস্টে লেখা হয়েছে, ‘বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছেন দলীয় নেতাকর্মীরা। আমাদের কেউ দাবায়া রাখতে পারবা না। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।’
এ পোস্ট শেয়ার দেওয়ার পর অনেকে মন্তব্য করেছেন। রাসেল শেখ নামে একজন লিখেছেন, ‘ইনশাল্লাহ একদিন পুনর্বাসন হবে।’ আজিজার রহমান তাজ নামে আরেক ব্যক্তি লিখেছেন, ‘জয় বাংলা’।
২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে বগুড়া শহরের টেম্পল রোডে জেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। ৫ আগস্ট কার্যালয়টিতে অগ্নিসংযোগ করা হয়। এরপর ২০২৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি বুলডোজার এনে আওয়ামী লীগ কার্যালয় ধ্বংসস্তূপে পরিণত করা হয়। সে সময় পাশে টাউন ক্লাব ও সুলতান মাহমুদ খান রনি নামে জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদকের ব্যক্তিগত অফিসও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
তবে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের পাশে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন কার্যালয় অক্ষত রাখা হয়।
নাম ও পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনের এক দায়িত্বশীল নেতা জানান, সোমবার সকালে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এ ছাড়া সন্ধ্যায় নামিয়ে নেওয়া হয়েছে। সুযোগ পেলে তারা আবারও পতাকা উত্তোলন ও দলীয় কার্যালয়ে যাবেন।
এ প্রসঙ্গে জানতে বগুড়া সদর থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ও ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মাহফুজ আলমের মোবাইল নম্বরে কল দিলেও তারা ধরেননি।।
বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা সাংবাদিকদের জানান, তিনি ঢাকায় রয়েছেন, এ বিষয়ে কিছু জানেন না।
রিপোর্টারের নাম 























