ঢাকা ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

সাবেক ছাত্রনেতাদের নতুন দিগন্ত: জাতীয় সংসদে ৭ শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৬:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

নবগঠিত জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাতজন সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি। রাজনৈতিক অঙ্গনে একসময় প্রভাবশালী ছাত্রনেতা হিসেবে পরিচিত এই ব্যক্তিরা এখন দেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নকারী সংস্থার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়েছেন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়ে তারা নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার প্রতিনিধিত্ব করবেন।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচিতদের মধ্যে রয়েছেন সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, সাইফুল আলম মিলন, রফিকুল ইসলাম খান, নূরুল ইসলাম বুলবুল, শফিকুল ইসলাম মাসুদ, সালাহউদ্দিন আইউবী এবং হাফেজ রাশেদুল ইসলাম।

সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের: ১৯৮৬ ও ১৯৮৭ সালে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে ১৯৮৫ সালে তিনি সংগঠনটির সেক্রেটারি জেনারেল ছিলেন। বর্তমানে তিনি জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির হিসেবে কর্মরত। তিনি কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসন থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

সাইফুল আলম মিলন: ১৯৮৩ সালে শিবিরের সভাপতি হিসেবে নেতৃত্ব দেন। বর্তমানে তিনি জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদ সদস্য। ঢাকা-১২ সংসদীয় আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে তিনি এমপি নির্বাচিত হয়েছেন।

রফিকুল ইসলাম খান: ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি হিসেবে ১৯৯৪ ও ১৯৯৫ সালে নেতৃত্ব দেন। বর্তমানে তিনি জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলের দায়িত্বে আছেন। রফিকুল ইসলাম খান সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে জামায়াত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

নূরুল ইসলাম বুলবুল: ২০০১ ও ২০০২ সালে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে তিনি নির্বাচিত হয়েছেন।

শফিকুল ইসলাম মাসুদ: ২০০৬ ও ২০০৭ সালে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতির পদে ছিলেন। বর্তমানে তিনি জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করছেন। পটুয়াখালী-২ আসন থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

সালাহউদ্দিন আইউবী: ২০২১ সালে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং ২০২০ সালে সংগঠনটির সেক্রেটারি জেনারেল ছিলেন। তিনি গাজীপুর-৪ আসনে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

হাফেজ রাশেদুল ইসলাম: ২০২২ সালে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। এর আগের বছর, অর্থাৎ ২০২১ সালে তিনি সংগঠনটির সেক্রেটারি জেনারেল ছিলেন। শেরপুর–১ আসন থেকে তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচিত হয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংস্কার ইস্যুতে দলের অবস্থানের সমালোচনা করে ঢাবি ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ

সাবেক ছাত্রনেতাদের নতুন দিগন্ত: জাতীয় সংসদে ৭ শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি

আপডেট সময় : ০৭:৪৬:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নবগঠিত জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাতজন সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি। রাজনৈতিক অঙ্গনে একসময় প্রভাবশালী ছাত্রনেতা হিসেবে পরিচিত এই ব্যক্তিরা এখন দেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নকারী সংস্থার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়েছেন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়ে তারা নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার প্রতিনিধিত্ব করবেন।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচিতদের মধ্যে রয়েছেন সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, সাইফুল আলম মিলন, রফিকুল ইসলাম খান, নূরুল ইসলাম বুলবুল, শফিকুল ইসলাম মাসুদ, সালাহউদ্দিন আইউবী এবং হাফেজ রাশেদুল ইসলাম।

সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের: ১৯৮৬ ও ১৯৮৭ সালে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে ১৯৮৫ সালে তিনি সংগঠনটির সেক্রেটারি জেনারেল ছিলেন। বর্তমানে তিনি জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির হিসেবে কর্মরত। তিনি কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসন থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

সাইফুল আলম মিলন: ১৯৮৩ সালে শিবিরের সভাপতি হিসেবে নেতৃত্ব দেন। বর্তমানে তিনি জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদ সদস্য। ঢাকা-১২ সংসদীয় আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে তিনি এমপি নির্বাচিত হয়েছেন।

রফিকুল ইসলাম খান: ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি হিসেবে ১৯৯৪ ও ১৯৯৫ সালে নেতৃত্ব দেন। বর্তমানে তিনি জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলের দায়িত্বে আছেন। রফিকুল ইসলাম খান সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে জামায়াত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

নূরুল ইসলাম বুলবুল: ২০০১ ও ২০০২ সালে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে তিনি নির্বাচিত হয়েছেন।

শফিকুল ইসলাম মাসুদ: ২০০৬ ও ২০০৭ সালে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতির পদে ছিলেন। বর্তমানে তিনি জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করছেন। পটুয়াখালী-২ আসন থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

সালাহউদ্দিন আইউবী: ২০২১ সালে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং ২০২০ সালে সংগঠনটির সেক্রেটারি জেনারেল ছিলেন। তিনি গাজীপুর-৪ আসনে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

হাফেজ রাশেদুল ইসলাম: ২০২২ সালে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। এর আগের বছর, অর্থাৎ ২০২১ সালে তিনি সংগঠনটির সেক্রেটারি জেনারেল ছিলেন। শেরপুর–১ আসন থেকে তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচিত হয়েছেন।