ঢাকা ০৭:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

রংপুরে তিস্তা সেতুর রক্ষা বাঁধে ভয়াবহ ধস: হুমকিতে ৩ গ্রাম ও আঞ্চলিক সড়ক

ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও গজলডোবা ব্যারাজের সবকটি কপাট খুলে দেওয়ায় তিস্তা নদীর পানি আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার মহিপুর এলাকায় অবস্থিত দ্বিতীয় তিস্তা সড়ক সেতুর রক্ষা বাঁধে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। শনিবার বিকেল থেকে শুরু হওয়া এই ভাঙনে ইতোমধ্যে বাঁধের প্রায় ৫০ মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে এবং সেখানে অন্তত ৭০ ফুট গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে দ্বিতীয় তিস্তা সেতুসহ রংপুর-লালমনিরহাট আঞ্চলিক সড়কটি বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। প্রতিদিন এই সেতু দিয়ে অন্তত ৩০ থেকে ৩৫ হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। বর্তমানে এই ভাঙনের ফলে লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের তিনটি গ্রামের এক হাজারেরও বেশি পরিবার চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।

লক্ষ্মীটারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী জানান, গত বছরও বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছিল। তখন স্থায়ীভাবে ব্লক দিয়ে বাঁধ রক্ষার অনুরোধ জানানো হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কেবল বাঁশের পাইলিং করে কাজ শেষ করেছিল। সেই দুর্বল পাইলিং এবার ধসে যাওয়ায় সেতুর অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়েছে। এদিকে উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরকে (এলজিইডি) অবহিত করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে মোদির রেড রোড অনুষ্ঠানে সমতা নিয়ে বিতর্ক

রংপুরে তিস্তা সেতুর রক্ষা বাঁধে ভয়াবহ ধস: হুমকিতে ৩ গ্রাম ও আঞ্চলিক সড়ক

আপডেট সময় : ০৬:০১:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও গজলডোবা ব্যারাজের সবকটি কপাট খুলে দেওয়ায় তিস্তা নদীর পানি আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার মহিপুর এলাকায় অবস্থিত দ্বিতীয় তিস্তা সড়ক সেতুর রক্ষা বাঁধে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। শনিবার বিকেল থেকে শুরু হওয়া এই ভাঙনে ইতোমধ্যে বাঁধের প্রায় ৫০ মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে এবং সেখানে অন্তত ৭০ ফুট গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে দ্বিতীয় তিস্তা সেতুসহ রংপুর-লালমনিরহাট আঞ্চলিক সড়কটি বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। প্রতিদিন এই সেতু দিয়ে অন্তত ৩০ থেকে ৩৫ হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। বর্তমানে এই ভাঙনের ফলে লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের তিনটি গ্রামের এক হাজারেরও বেশি পরিবার চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।

লক্ষ্মীটারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী জানান, গত বছরও বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছিল। তখন স্থায়ীভাবে ব্লক দিয়ে বাঁধ রক্ষার অনুরোধ জানানো হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কেবল বাঁশের পাইলিং করে কাজ শেষ করেছিল। সেই দুর্বল পাইলিং এবার ধসে যাওয়ায় সেতুর অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়েছে। এদিকে উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরকে (এলজিইডি) অবহিত করা হয়েছে।