ঢাকা ০৭:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

আন্তঃসীমান্ত নদীর পানিবণ্টন চুক্তি পর্যালোচনা করছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

বাংলাদেশের আন্তঃসীমান্ত নদীসমূহের পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে বিদ্যমান পানিবণ্টন চুক্তি ও সমঝোতাগুলো পর্যালোচনা করছে সরকার। রোববার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার নদীর পানির অধিকার আদায়ের বিষয়টি নির্বাচনি ইশতেহারে গুরুত্বের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করেছে।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ভারত, নেপাল, ভুটান ও চীনের সঙ্গে সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কাজ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া যৌথ নদী কমিশনকে (জেআরসি) আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। উজানের দেশগুলোতে বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের ফলে শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশে পানির প্রবাহ কমে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবেও পানির লভ্যতা হ্রাস পাচ্ছে।

সংসদে দেওয়া তথ্যানুযায়ী, সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় সারাদেশে ৩৬৬ কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় স্বার্থে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প বাস্তবায়নের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, প্রকল্পটি বিশেষজ্ঞ পরামর্শকদের মাধ্যমে যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আগামী ৫ বছরে সারাদেশে প্রায় ৯ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে মোদির রেড রোড অনুষ্ঠানে সমতা নিয়ে বিতর্ক

আন্তঃসীমান্ত নদীর পানিবণ্টন চুক্তি পর্যালোচনা করছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৫:৫৯:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

বাংলাদেশের আন্তঃসীমান্ত নদীসমূহের পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে বিদ্যমান পানিবণ্টন চুক্তি ও সমঝোতাগুলো পর্যালোচনা করছে সরকার। রোববার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার নদীর পানির অধিকার আদায়ের বিষয়টি নির্বাচনি ইশতেহারে গুরুত্বের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করেছে।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ভারত, নেপাল, ভুটান ও চীনের সঙ্গে সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কাজ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া যৌথ নদী কমিশনকে (জেআরসি) আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। উজানের দেশগুলোতে বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের ফলে শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশে পানির প্রবাহ কমে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবেও পানির লভ্যতা হ্রাস পাচ্ছে।

সংসদে দেওয়া তথ্যানুযায়ী, সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় সারাদেশে ৩৬৬ কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় স্বার্থে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প বাস্তবায়নের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, প্রকল্পটি বিশেষজ্ঞ পরামর্শকদের মাধ্যমে যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আগামী ৫ বছরে সারাদেশে প্রায় ৯ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে।