যুদ্ধবিরতির চুক্তি হলেও এখনো অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় বেশিরভাগ ত্রাণ আটকে রেখেছে ইসরায়েল। সেইসঙ্গে চুক্তি ভঙ্গ করে গাজাজুড়ে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। এক প্রতিবেদনে এমন তথ্যই জানিয়েছে কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরা।
গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতির চুক্তি হলেও উপত্যকায় মানবিক ত্রাণ সরবরাহ বাধাগ্রস্ত করছে ইসরায়েল।
যুদ্ধ চলাকালীন সময়ের তুলনায় ত্রাণ সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও ইসরায়েলি নিষেধাজ্ঞায় গাজাজুড়ে খাদ্য, পানি, ওষুধ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহের ঘাটতির সম্মুখীন হচ্ছে ফিলিস্তিনিরা।
শনিবার এক বিবৃতিতে গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস বলেছে, গত ১০ থেকে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ৩ হাজার ২০৩টি বাণিজ্যিক ও ত্রাণবাহী ট্রাক গাজায় প্রবেশ করেছে। চুক্তি অনুযায়ী প্রতিদিন ৬০০ ট্রাক ত্রাণ প্রবেশের কথা থাকলেও এখন গড়ে ১৪৫টি ট্রাক প্রবেশ করছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “আমরা ইসরায়েলি দখলদারিত্বের তীব্র নিন্দা জানাই।” উপত্যকার ২৪ লক্ষেরও বেশি মানুষের মানবিক পরিস্থিতি বিপর্যয়ের জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করা হয়।
এদিকে যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভঙ্গ করে গাজাজুড়ে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। শনিবার দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে যুদ্ধবিমান, কামান এবং ট্যাঙ্ক দিয়ে গোলাবর্ষণ করে দখলদার বাহিনী। উত্তর গাজার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরের পূর্বে আবাসিক ভবনগুলিও গুঁড়িয়ে দিয়েছে তারা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, তথাকথিত ‘হলুদ রেখা’র ওপারে অবশিষ্ট ভবন ও ফসলি জমিতে গোলাবর্ষণ ও ড্রোন হামলা চালিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 





















