আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জালিয়াতি ও সহিংসতা রোধে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ। দেশের ৯০ শতাংশ ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং অধিক ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের পোশাকে বডি ওর্ন ক্যামেরা থাকবে। এছাড়া, পুলিশ সুপারদের (এসপি) নেতৃত্বে নির্বাচনি এলাকায় সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ব্যবহৃত হবে ড্রোন। মঙ্গলবার পুলিশ সদর দপ্তরের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম এসব তথ্য জানান।
আইজিপি বাহারুল আলম জানান, এবারের নির্বাচনে ভোটারদের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিতে প্রযুক্তি নির্ভর কঠোর নজরদারি থাকবে। এরই অংশ হিসেবে, ভোটকেন্দ্রে বসানো সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে, যা যেকোনো অনিয়ম তাৎক্ষণিকভাবে চিহ্নিত করতে সাহায্য করবে। অধিক ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বডি ওর্ন ক্যামেরার মাধ্যমে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করা হবে।
তিনি আরও জানান, সারাদেশে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশকে তিনটি প্রধান স্তরে ভাগ করা হয়েছে। প্রথমত, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সার্বক্ষণিক পুলিশ মোতায়েন থাকবে। দ্বিতীয়ত, এলাকাভিত্তিক টহল টিমগুলো নিয়মিত নজরদারি চালাবে। এবং তৃতীয়ত, যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণকারী দল প্রস্তুত থাকবে। এবারের নির্বাচনে মোট ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন পুলিশ সদস্য সরাসরি নিরাপত্তা কার্যক্রমে দায়িত্ব পালন করছেন।
সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে বৈধ অস্ত্রের কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত ২৭ হাজার ৯৯৫টি বৈধ অস্ত্র পুলিশের হেফাজতে জমা নেওয়া হয়েছে বলে আইজিপি উল্লেখ করেন। তবে, থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র এবং অবৈধ অস্ত্রের অনুপ্রবেশকে তিনি এবারের নির্বাচনের জন্য একটি বড় হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। এই হুমকি মোকাবিলায় পুলিশ বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে এবং সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে বলেও তিনি জানান।
রিপোর্টারের নাম 
























