জুলাই বিপ্লবের পর হজ ব্যবস্থাপনায় উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে এবং হজযাত্রীদের জন্য যৌক্তিক খরচে হজ পালনের সুযোগ তৈরি হয়েছে, এমনটাই জানিয়েছেন ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। মঙ্গলবার সচিবালয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এই সাফল্যের কথা তুলে ধরে বলেন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি হজ পালনের খরচ কমানোর ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।
উপদেষ্টা জানান, হজযাত্রীদের ওপর আর্থিক চাপ কমাতে বিমান ভাড়ায় বড় ধরনের সাশ্রয় আনা সম্ভব হয়েছে। ২০২৪ সালের হজে যেখানে বিমান ভাড়া ছিল ১ লক্ষ ৯৪ হাজার ৮০০ টাকা, তা ২০২৬ সালের হজে ১ লক্ষ ৫৪ হাজার টাকায় নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। এই খরচ আরও কমানোর বিষয়ে প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ড. খালিদ হোসেন আরও বলেন, গত বছর সরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীদের হজ খরচ নির্বাহের পর উদ্বৃত্ত ৮ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে, যা একটি নজিরবিহীন ঘটনা। এছাড়াও, ২০১৭ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন হজ এজেন্সির অব্যয়িত প্রায় ৩৮ কোটি টাকা, যা সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের আইবিএন হিসেবে পড়েছিল, দীর্ঘ যোগাযোগের মাধ্যমে তা ফেরত এনে সংশ্লিষ্ট এজেন্সিগুলোকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, গত বছর সরকারি ব্যয়ে কাউকে হজ পালনের সুযোগ দেওয়া হয়নি এবং এ বছরও কাউকে এই সুবিধা দেওয়া হবে না। ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, গত দেড় বছর ধরে অত্যন্ত স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সততার সঙ্গে তিনি তার দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছেন। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তর-সংস্থাগুলোকে সক্রিয়, গতিশীল ও ফলপ্রসূ করতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং উৎসাহ-অনুপ্রেরণা যোগানোর কথাও জানান তিনি।
রিপোর্টারের নাম 























