ঢাকা ০৬:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

ব্যর্থতার দায় নিচ্ছি না, দাম নিয়ন্ত্রণ আমাদের হাতে নেই: উপদেষ্টা ফরিদা আখতার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১৩:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, তার ১৫-১৬ মাসের সংক্ষিপ্ত কার্যকালে সবকিছু বিচার করা সম্ভব নয় এবং তিনি কোনো ব্যর্থতা নিয়ে বিদায় নিচ্ছেন না। বিশেষ করে মাছ ও মাংসের মূল্যবৃদ্ধির দায় তাদের নয়, কারণ দামের নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে ছিল না। মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে বিদায়ী এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা ফরিদা আখতার জোর দিয়ে বলেন, বাজারে মাংস ও মাছের দামের ঊর্ধ্বগতি তাদের সরাসরি নিয়ন্ত্রণের বিষয় ছিল না। তাঁদের মূল কাজ ছিল উৎপাদন বৃদ্ধি ও মানোন্নয়ন। এই স্বল্প সময়ের মধ্যে তাঁরা যথাসাধ্য চেষ্টা চালিয়ে গেছেন।

তিনি তার সময়ে গৃহীত পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে বলেন, আগে শুধু পরিমাণে গবাদি পশু মোটাতাজাকরণ ও উৎপাদনে গুরুত্ব দেওয়া হলেও, তাদের সময়ে মানসম্মত উৎপাদন ও মোটাতাজাকরণের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

মৎস্যসম্পদ রক্ষায় তাদের সাফল্যের কথা জানিয়ে ফরিদা আখতার বলেন, ইলিশসহ অন্যান্য মাছের অতিরিক্ত আহরণ রোধে অবৈধভাবে ‘সোনার’ যন্ত্রের ব্যবহার বন্ধ করতে তারা সক্ষম হয়েছেন। তিনি আরও জানান, অতিরিক্ত আহরণের কারণে একসময় মাছের প্রাপ্যতা এক-তৃতীয়াংশে নেমে এসেছিল, যা এখন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হচ্ছে।

উপদেষ্টা আরও জানান, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে বিদ্যুৎ বিলে ছাড়সহ মোট ১০০ কোটি টাকা ভর্তুকি পাওয়া গেছে। এছাড়া, বিভিন্ন সরকারি সুবিধা বা কর্মসূচির আওতায় সুবিধাভোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৩২ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১৫ লাখে উন্নীত করা হয়েছে। তিনি বলেন, সুন্দরবন ও হাওর অঞ্চলের মৎস্যজীবীরা ভিজিএফ (Vulnerable Group Feeding) কর্মসূচির আওতায় খাদ্য সহায়তা পাবেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কাতারে মোসাদের গোপন তৎপরতা: দোহা অস্বীকার করলো অবগত থাকার তথ্য

ব্যর্থতার দায় নিচ্ছি না, দাম নিয়ন্ত্রণ আমাদের হাতে নেই: উপদেষ্টা ফরিদা আখতার

আপডেট সময় : ০১:১৩:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, তার ১৫-১৬ মাসের সংক্ষিপ্ত কার্যকালে সবকিছু বিচার করা সম্ভব নয় এবং তিনি কোনো ব্যর্থতা নিয়ে বিদায় নিচ্ছেন না। বিশেষ করে মাছ ও মাংসের মূল্যবৃদ্ধির দায় তাদের নয়, কারণ দামের নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে ছিল না। মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে বিদায়ী এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা ফরিদা আখতার জোর দিয়ে বলেন, বাজারে মাংস ও মাছের দামের ঊর্ধ্বগতি তাদের সরাসরি নিয়ন্ত্রণের বিষয় ছিল না। তাঁদের মূল কাজ ছিল উৎপাদন বৃদ্ধি ও মানোন্নয়ন। এই স্বল্প সময়ের মধ্যে তাঁরা যথাসাধ্য চেষ্টা চালিয়ে গেছেন।

তিনি তার সময়ে গৃহীত পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে বলেন, আগে শুধু পরিমাণে গবাদি পশু মোটাতাজাকরণ ও উৎপাদনে গুরুত্ব দেওয়া হলেও, তাদের সময়ে মানসম্মত উৎপাদন ও মোটাতাজাকরণের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

মৎস্যসম্পদ রক্ষায় তাদের সাফল্যের কথা জানিয়ে ফরিদা আখতার বলেন, ইলিশসহ অন্যান্য মাছের অতিরিক্ত আহরণ রোধে অবৈধভাবে ‘সোনার’ যন্ত্রের ব্যবহার বন্ধ করতে তারা সক্ষম হয়েছেন। তিনি আরও জানান, অতিরিক্ত আহরণের কারণে একসময় মাছের প্রাপ্যতা এক-তৃতীয়াংশে নেমে এসেছিল, যা এখন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হচ্ছে।

উপদেষ্টা আরও জানান, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে বিদ্যুৎ বিলে ছাড়সহ মোট ১০০ কোটি টাকা ভর্তুকি পাওয়া গেছে। এছাড়া, বিভিন্ন সরকারি সুবিধা বা কর্মসূচির আওতায় সুবিধাভোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৩২ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১৫ লাখে উন্নীত করা হয়েছে। তিনি বলেন, সুন্দরবন ও হাওর অঞ্চলের মৎস্যজীবীরা ভিজিএফ (Vulnerable Group Feeding) কর্মসূচির আওতায় খাদ্য সহায়তা পাবেন।