জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে এ পর্যন্ত দেশজুড়ে ৩১৭টি সহিংস ঘটনা ঘটেছে, যেখানে পাঁচজন প্রাণ হারিয়েছেন। পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরও জানান, নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ করতে দেশজুড়ে মোট ২৭ হাজার ৯৯৫টি বৈধ অস্ত্র জমা নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর গনি রোডে অবস্থিত পুলিশ সদর দপ্তরের মিডিয়া সেন্টারে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে আইজিপি নির্বাচনের পূর্বাপর নিরাপত্তা পরিস্থিতি তুলে ধরেন। এই সময় তিনি বলেন, নির্বাচনের জন্য সারাদেশে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৮০৫ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে। নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে স্থায়ীভাবে পুলিশ ফোর্স নিযুক্ত থাকবে। পাশাপাশি, ভোটকেন্দ্র পরিচালনার জন্য ভ্রাম্যমাণ পুলিশের দলও সক্রিয় থাকবে। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবিলা করার জন্য বিভিন্ন স্থানে বিশেষ স্ট্রাইকিং ফোর্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে প্রযুক্তির ব্যবহারও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে। দেশের মোট ভোটকেন্দ্রের প্রায় ৮০ শতাংশে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে পুলিশ সদস্যরা বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করবেন এবং প্রয়োজনে ড্রোন ক্যামেরার সহায়তাও নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
আইজিপি বাহারুল আলম উল্লেখ করেন যে, গত ৫ আগস্ট থানা থেকে লুট হওয়া পুলিশের অস্ত্রের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জমা দেওয়া অস্ত্রও এই ঘটনার শিকার হয়। সব মিলিয়ে হাজারের বেশি অস্ত্র লুট হয়েছে। এই উদ্বেগজনক পরিস্থিতি সত্ত্বেও, তিনি একটি সফল নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) এ কে এম আওলাদ হোসেন, (অর্থ) মো. আকরাম হোসেন, (লজিস্টিকস অ্যান্ড অ্যাসেট অ্যাকুইজিশন) মোসলেহ উদ্দিন আহমদ এবং (ডেভেলপমেন্ট) সরদার নূরুল আমিন সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 





















