ঢাকা ০৬:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন প্রত্যাশা ইইউ পর্যবেক্ষক প্রধানের

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক এবং গ্রহণযোগ্য হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ইভার্স ইজাবস। মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ইভার্স ইজাবস বলেন, সামগ্রিক নির্বাচনী পরিবেশ বর্তমানে ইতিবাচক এবং এই নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন একটি বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রত্যক্ষ করার প্রত্যাশা করছে। গণতন্ত্র, রাজনৈতিক ক্ষমতার জবাবদিহিতা এবং আইনের শাসনের মতো অভিন্ন নীতির ভিত্তিতেই বাংলাদেশে তাদের পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে জানতে চাইলে ইইউ প্রধান পর্যবেক্ষক বলেন, মিশনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা বাহিনী, সেনাবাহিনী ও পুলিশের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। কিছু এলাকা তুলনামূলকভাবে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হলেও, সামগ্রিকভাবে রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে বলে তাদের ধারণা।

নারী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে ইভার্স ইজাবস বলেন, এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং যৌক্তিক বিষয়। নির্বাচনকে প্রকৃত অর্থে অংশগ্রহণমূলক করতে হলে সকল সম্প্রদায়, সংখ্যালঘু এবং বিশেষ করে নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা অপরিহার্য।

নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে তিনি আরও বলেন, দীর্ঘমেয়াদী পর্যবেক্ষকরা ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন জেলা ও অঞ্চলে মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন এবং প্রার্থী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষসহ বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। এসব আলোচনার ভিত্তিতে সামগ্রিকভাবে নির্বাচনী পরিবেশকে ইতিবাচক বলেই মনে হচ্ছে। অনেকেই এটিকে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখছেন। নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হলেও, সামগ্রিক প্রত্যাশা ও পরিবেশ আশাব্যঞ্জক।

ইভার্স ইজাবস জানান, আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে এবং তখন এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হবে। তিনি আরও বলেন, নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের মূল কাজ হলো নিরপেক্ষ থাকা এবং কোনো রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় জড়িত না হওয়া। নির্বাচন শেষে প্রায় দুই মাস পর প্রকাশিত চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কাতারে মোসাদের গোপন তৎপরতা: দোহা অস্বীকার করলো অবগত থাকার তথ্য

অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন প্রত্যাশা ইইউ পর্যবেক্ষক প্রধানের

আপডেট সময় : ১১:৩৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক এবং গ্রহণযোগ্য হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ইভার্স ইজাবস। মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ইভার্স ইজাবস বলেন, সামগ্রিক নির্বাচনী পরিবেশ বর্তমানে ইতিবাচক এবং এই নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন একটি বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রত্যক্ষ করার প্রত্যাশা করছে। গণতন্ত্র, রাজনৈতিক ক্ষমতার জবাবদিহিতা এবং আইনের শাসনের মতো অভিন্ন নীতির ভিত্তিতেই বাংলাদেশে তাদের পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে জানতে চাইলে ইইউ প্রধান পর্যবেক্ষক বলেন, মিশনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা বাহিনী, সেনাবাহিনী ও পুলিশের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। কিছু এলাকা তুলনামূলকভাবে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হলেও, সামগ্রিকভাবে রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে বলে তাদের ধারণা।

নারী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে ইভার্স ইজাবস বলেন, এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং যৌক্তিক বিষয়। নির্বাচনকে প্রকৃত অর্থে অংশগ্রহণমূলক করতে হলে সকল সম্প্রদায়, সংখ্যালঘু এবং বিশেষ করে নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা অপরিহার্য।

নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে তিনি আরও বলেন, দীর্ঘমেয়াদী পর্যবেক্ষকরা ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন জেলা ও অঞ্চলে মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন এবং প্রার্থী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষসহ বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। এসব আলোচনার ভিত্তিতে সামগ্রিকভাবে নির্বাচনী পরিবেশকে ইতিবাচক বলেই মনে হচ্ছে। অনেকেই এটিকে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখছেন। নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হলেও, সামগ্রিক প্রত্যাশা ও পরিবেশ আশাব্যঞ্জক।

ইভার্স ইজাবস জানান, আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে এবং তখন এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হবে। তিনি আরও বলেন, নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের মূল কাজ হলো নিরপেক্ষ থাকা এবং কোনো রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় জড়িত না হওয়া। নির্বাচন শেষে প্রায় দুই মাস পর প্রকাশিত চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত থাকবে।