আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কাঠামোতে আমূল পরিবর্তনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন, বিএনপি এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় যেখানে ব্যক্তি বা দলের সংকীর্ণ স্বার্থের ঊর্ধ্বে থাকবে রাষ্ট্রের মর্যাদা ও জনস্বার্থ। সুশাসন নিশ্চিত করতে জবাবদিহিমূলক রাজনীতি এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থান নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
তারেক রহমান তার বক্তব্যে একটি আধুনিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার রূপরেখা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আগামী দিনের বাংলাদেশে দুর্নীতির কোনো স্থান থাকবে না এবং এ ক্ষেত্রে দলমত নির্বিশেষে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে। জনগণের ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করাকে তিনি বিএনপির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেন।
দেশের যুবসমাজের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে তারেক রহমান কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি দেশের মানুষকে আশ্বস্ত করে বলেন, অতীতের রাজনৈতিক অপশাসন, প্রতিহিংসা কিংবা সহিংসতার পুনরাবৃত্তি আর হতে দেওয়া হবে না। একটি শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে তিনি দেশের সকল নাগরিককে নির্ভয়ে এবং সুশৃঙ্খলভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান।
বিএনপির এই শীর্ষ নেতা তার ভাষণে রাষ্ট্র সংস্কারের মাধ্যমে জনকল্যাণমুখী রাজনীতি প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দেন, যা দেশের চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 





















