গত মঙ্গলবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এক অভূতপূর্ব ঘটনা ঘটে গেছে। নিউইয়র্কের মেয়র প্রার্থীতার বাছাইপর্বে অভিবাসী মুসলিম জোহরান মামদানি স্পষ্ট ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। যিনি কিনা মার্কিনী রাজনীতির ধনাঢ্যমুখীতাকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন। আসছে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহের সাধারণ নির্বাচনে তিনি জয়ী হচ্ছেন—এটি প্রায় নিশ্চিতভাবই বলা হচ্ছে এবং সেটি হলে অনেকেই মনে করছেন আমেরিকার রাজনীতিতে কর্পোরেট প্রভাব ক্রমশ নিয়ন্ত্রণ বা হ্রাসের দিকে ধাবিত হবে—যা হবে একটি গুণগত বৈপরীত্যের ইতিবাচক ধারার সূচনা।
মামদানি ওখানকার বিদ্যমান রাজনীতি ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে সরাসরি বলেছেন— ‘আমি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সবচেয়ে বড় দুঃস্বপ্ন—একজন প্রগতিশীল মুসলিম অভিবাসী, যে সত্যিকারের বিশ্বাস থেকে লড়ে।’
নিউইয়র্কের মেয়র পদপ্রার্থীতার বাছাইপর্বে তাঁকে লড়তে হয়েছে—বিরাজমান বিলিয়নার ধনাট্য কর্পোরেট প্রভাব বলয়ের সীমাহীন অপপ্রচার ও অর্থের ছড়াছড়ির ধ্বংসাত্মক কুট-কৌশলকে মোকাবেলা করে। তবুও তিনি বেশ ভালভাবেই উতরে গেছেন বাছাই পর্বে।
মামদানির জয় কোনো তারকাখ্যাতির জন্য হয়নি। এটি হয়েছে সাধারণ মানুষের শক্তিতে। এই আন্দোলন মানুষকে আবার মনে করিয়ে দিয়েছে, গণতন্ত্র মানে কেবল ভোট নয়, বরং নিজের জীবনে যেসব সিদ্ধান্তগুলো প্রভাব ফেলে সমাজে-রাষ্ট্রে—সেগুলো নিয়ে কথা বলার অধিকার দাবি করাও গণতন্ত্র। গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, মামদানি সেই নৈতিক প্রশ্ন থেকে পালিয়ে যাননি, যা শুধু নিউইয়র্ক নয়, যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে কোটি মানুষের মনকে স্পর্শ করেছে।
এখন অপেক্ষা নভেম্বরে মূল নির্বাচনের; নিউইয়র্ক টাইমসসহ প্রভাবশালী প্রায় সব গণমাধ্যম জানাচ্ছে জোহরানের বিজয় শুধু সময়ের অপেক্ষামাত্র।
মার্কিন রাজনীতিতে ৩৩ বছর বয়সী জোহরান কোয়ামে মামদানি উগান্ডার কাম্পালায় জন্মেছেন। তাঁর বাবা মাহমুদ মামদানি উগান্ডা থেকে আসা মার্কিন অভিবাসী এবং কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রখ্যাত অধ্যাপক ও মা ভারতীয়-আমেরিকান খ্যাতনামা চলচ্চিত্রকার মীরা নায়ার। জোহরানের নামের মধ্য অংশটি ‘কোয়ামে’ রেখেছিলেন তাঁর বাবা—ঘানার বিপ্লবী নেতা ও প্রথম প্রধানমন্ত্রী কোয়ামে এনক্রুমাহর এর নামে অনুপ্রাণিত হয়ে মিল রেখে। বাবা-মা এর সাথে জোহরান ৭ বছর বয়সে আমেরিকা চলে আসেন এবং ২০১৮ সালে সেদেশের নাগরিকত্ব লাভ করেন। এত অল্পসময়ে একজন অভিবাসী মার্কিনীর রাজনীতির মাঠে উল্লেখযোগ্য হয়ে উঠার উদাহরণ খুব একটা নেই। তিনি ‘সত্যিকারের বিশ্বাস থেকে লড়ছেন’—এই বিশ্বাস ও কর্মের ধারাবাহিকতা তাঁকে অসংখ্য জাতি ও প্রায় ৯ মিলিয়ন অধিবাসী-অভিবাসীর সিটি নিউইয়র্কের মেয়র নির্বাচনে বেশ এগিয়ে রেখেছে গণমাধ্যমসূত্রগুলোর বরাতে বলাই যায়।
আমেরিকার ‘মেইনে’ অঙ্গরাজ্যের বোডোইন কলেজে পড়াশুনাকাল থেকেই জোহরান মানুষের কল্যাণে কাজ করছেন। তিনি সে কলেজে প্যালেস্টাইনিদের অধিকার নিয়ে ‘এসজেপি’ বা স্টুডেন্ট ফর জাস্টিজ ইন প্যালেস্টাইন নামে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। অধ্যয়নশেষে তিনি কুইন্সের অধিবাসীদের বিভিন্ন কল্যাণমূলক কাজে নিয়োজিত ছিলেন। তিনি চাইল্ড কেয়ার, অভিবাসীদের অধিকার ও স্বল্পআয়ের মানুষের জন্য গণপরিবহন, বাসস্থান সঙ্কট, স্বল্প মূল্যে বা বিনামূল্যে দরিদ্র মানুষদের জন্য সিটিতে মুদি দোকান ব্যবস্থা প্রভৃতি নিয়ে কাজ করছেন।
মামদানি ডেমোক্রেটিক পার্টি ও ডেমোক্রেটিক সোশালিস্ট অব আমেরিকার একজন সদস্য। রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে তিনি ২০২১ সাল থেকে নিউইয়র্ক স্টেট এ্যাসেম্বলিতে কুইন্স এলাকার সদস্য নির্বাচিত হয়ে প্রতিনিধিত্ব করছেন। এ্যাসেম্বলির নির্বাচিত প্রতিনিধিত্বকালে তিনি বয়স্ক বিষয়ক কমিটি, শহর বিষয়ক কমিটি, নির্বাচন আইন কমিটি, কৃষ্ণাঙ্গ-পুয়ের্তোরিকান-হিস্পানিক অ্যান্ড এশিয়ান আইন প্রণেতা গোষ্ঠী ও ট্রাস্কফোর্স, এশিয়ান প্যাসিফিক আমেরিকান টাস্ক ফোর্স, নিউ আমেরিকানদের টাস্ক ফোর্স ইত্যাদির সক্রিয় সদস্য হিসেবে জড়িত ছিলেন। এগুলো তাঁর মানুষের অধিকার-ন্যায্যতা ও সমতাসহ ইতিবাচক রাজনৈতিক মূল্যবোধের পরিচয়কে তুলে ধরেছে।
গণমাধ্যমগুলোর সূত্রমতে, মেয়র নির্বাচনী প্রচারপর্বে জোহারান মামদানি বেশ দৃঢ়তা ও নিজ ধর্ম ইসলামের প্রতি ও নিজের বিশ্বাসের প্রতি পরিচয় তুলে ধরছেন গর্বভরে। এই প্রচারণার সময় তিনি এটিও বলেছেন—‘পাবলিক স্পেসে একজন মুসলিম হিসেবে দাঁড়ানো মানেই আমাদের মাঝে যেটুকু নিরাপত্তা আছে তা ত্যাগ করা’। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এসব কথা বলার সম্ভাব্য সকল ঝুঁকি নিয়েছেন তিনি ও প্রচারণার সময় মামদানি নিয়মিত মসজিদ পরিদর্শনে যাচ্ছেন। ফলে ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে তাঁর স্বভাবজাত নোংরা বক্তব্য দিয়েই যাচ্ছেন মামদানির বিরুদ্ধে। ট্রাম্প ও তাঁর সাঙ্গপাঙ্গসহ রিপাবলিকানরা ও কর্পোরেট বিলিয়নার-ধনীরা জোহরানের বিরুদ্ধে ‘বামপন্থি’ তকমা দিয়ে তাঁকে আমেরিকার জন্য ‘বিপদজনক’ হিসেবে প্রপাগান্ডা চালাচ্ছেন। সেজন্যই মামদানি বলেছেন—‘আমি ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য সবচেয়ে বড় দুঃস্বপ্ন’।
জোহরান মামদানি প্যালেস্টাইনের প্রতি অন্যায়ের বিরুদ্ধে সবসময়ই উচ্চকন্ঠ। তিনি কুইন্সের সদস্য হিসেবে এ্যাসেম্বলিতে ২০২৩ সনে একটি বিল প্রস্তাব করেন, যেটিতে প্যালেস্টাইনে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনে সম্পৃক্ত নিউ ইয়র্ক ভিত্তিক কিছু চ্যারিটিকে করছাড় সুবিধা বাতিল করার দাবি জানানো হয়।তিনি গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের তীব্র সমালোচক এবং ‘বয়কট, ডিভেস্টমেন্ট, সেংশনস’ (বিডিএস)আন্দোলনের সক্রিয় সমর্থক। এমনকি তিনি বলেছেন—‘ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর গ্রেপ্তার হওয়া উচিত’। তিনি মনে করেন, নেতানিয়াহু একজন অমানবিক নীতি-অবস্থানের মানুষ। গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যা ও অনাহারে রেখে শিশু হত্যা করা চোখ বন্ধ করে মেনে নেওয়া যায় না।
তবে তাঁর এইসব অবস্থান, নিজ বিশ্বাস, নিজ ধর্ম ইসলামের প্রতি দৃঢ় আস্থা রেখেই মামদানি পরিষ্কার করেছেন—একজন চরমপন্থী নেতানিয়াহুর সমালোচনা আর ইহুদিবিদ্বেষ এককথা নয় ও নিউইয়র্কে কোনো ধরনের ইহুদিবিদ্বেষের স্থান নেই এবং নির্বাচিত হলে যে কোনো ধরণের ঘৃণাজনিত অপরাধ প্রতিরোধে তিনি আরও বাজেট বরাদ্দ করবেন।মামদানি বলছেন,জায়নবাদের সমালোচনা মানেই ইহুদিবিদ্বেষ নয়।জোহরান মামদানি নিউ ইয়র্কের মুসলিম ডেমোক্র্যাটিক ক্লাবের সদস্য এবং তাঁর সরকারি দপ্তরের ৮ সদস্যের সোশ্যালিষ্ট ব্লকেরও সদস্য তিনি।
জোহরান মামদানি নিউইয়র্কের গণপরিবহন ব্যবস্থা সাবওয়ের সার্ভিস বৃদ্ধিতে একশত মিলিয়ন ডলারেরও অধিক বাজেট বরাদ্দ মঞ্জুরিতে এবং সফল ভাড়া-হীন বাস পাইলট প্রকল্প শুরুকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।তিনি চান—নিউইয়র্ক হয়ে উঠুক শুধু একটি পরিচ্ছন্ন নগরই নয়।ওখানে পরিবেশ দূষণকারী পাওয়ার প্ল্যান্টগুলোও বন্ধ হোক।এর জন্য নিউইয়র্কবাসীদের তিনি সংগঠিত করণে কাজ করছেন।
জোহরান প্রত্যক্ষ করেছেন—জীবন চালাতে হিমশিম খাওয়া মানুষগুলো সপ্তাহ শেষে বেতন পাওয়ার পরের দিনই পরবর্তী বেতনের জন্য দিন গোনে খোদ আমেরিকায়।তিনি দেখছেন—ওখানকার তরুণ প্রজন্মকে, যাঁরা সম্ভবত তাদের মা-বাবার চেয়েও খারাপ সময়ের মুখোমুখি হবে।কেননা রাজনীতি-কর্মসংস্থান সব ধনাঢ্যদের ইচ্ছের ওপর নির্ভর করছে।
জোহারানকে নিয়ে একজন নির্বাচিত কাউন্সিলরের কটুক্তির জবাবে মামদানি বলেন-‘মৃত্যু হুমকি,ইসলামভীতির বৈষম্য ! আমার দেশচ্যুতি!!
যথেষ্ট হয়েছে। ট্রাম্প ও তাঁর অনুগতরা এরকমই পরিস্থিতিই তৈরি করেছেন। এরুপ পরিস্থিতি আমাদের শহর ও সংবিধানের মূল্যবোধের ওপর আক্রমণ।’ ট্রাম্প নিজেও বিষোদগারের পাশাপাশি কর্তৃত্বমূলক ইনডেমনিটিসম আইন করাচ্ছেন, যাতে করে অভিবাসীর তকমায় জোহরানকে ঠেকানো যায়!
অপরদিকে নিউইয়র্কের মেয়র প্রার্থীতার বাছাইপর্বে মামদানির প্রতিপক্ষ আ্যান্ডু কোওমোর মামদানিকে সমর্থন দিয়ে তাঁর পক্ষালম্বন করে প্রচারাভিযানে নেমেছেন।
প্রার্থীতায় মামদানির জয় নিয়ে আমেরিকান মানুষেরা বলছেন—এটি শুধুই তাঁর ব্যক্তিত্ব আর ক্যারিশমার ফলাফল ও তিনি একজন চমৎকার প্রার্থীর উদাহরণ। কিন্তু অনেকেই এটিও মনে করেন যে,শুধু ভালো প্রার্থী থাকলেই এমন বিজয় আসে না। জয়ের পেছনে থাকতে হয় অসাধারণ এক তৃণমূল আন্দোলন। হাজার হাজার মানুষ যদি আগ্রহ নিয়ে দরজায় দরজায় গিয়ে তাঁর পক্ষে প্রচার না করত, তবে এমন জয় সম্ভব হতো না। আর এই আন্দোলন গড়ে ওঠেছে জোহরান মামদানির নেওয়া অর্থনৈতিক কর্মসূচির কারণে,যা সাধারণ মানুষের প্রয়োজন আর কষ্টের কথা বলে। নিউইয়র্কের মানুষ এবং গোটা আমেরিকান জনতা জানে, ধনী দেশ হিসেবে পরিচিত আমেরিকার কারও জন্য শুধু খাওয়া, ঘরভাড়া দেওয়া বা ডাক্তার খরচ মেটাতে যুদ্ধ করার মতো কষ্ট করা উচিত নয়।এগুলোকে মামদানি সামনে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছেন।
এদিকে আমেরিকার রাজনীতিতে বৈষম্যবিরোধী অবস্থানের জন্য খ্যাতনামা ব্যক্তিত্ব সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স গত ১৭ জুন জোহারান মামদানিকে তাঁর সমর্থন ব্যক্ত করে বলেছেন—‘আমাদের দেশ একটি মৌলিক পদক্ষেপের মুখোমুখি, আমরা কি বিলিয়নিয়ার নিয়ন্ত্রিত কর্পোরেট প্রভাবিত রাজনীতিতে চলবো। নাকি প্রতিদিনের মানুষের দ্বারা পরিচালিত,অলি-গার্কি,কর্তৃত্ববাদ ও দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলন গড়ে তুলবো’।বার্ণি স্যান্ডার্স আরো বলছেন—বাস্তবতায় যুক্তরাষ্ট্রের কোটি কোটি নাগরিক গণতন্ত্র থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। নাগরিকরা অনুভব করে না যে সরকার তাদের জীবনযন্ত্রণা বোঝে বা কোনো সমাধান দিতে চায়।মানুষের মুখোমুখি হয়ে প্রকৃত অর্থনৈতিক ও নৈতিক সংকটগুলো সাহস করে তুলে ধরতে হবে।সেই সঙ্গে ধনিক শ্রেণির লোভ ও ক্ষমতার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে এবং এমন একটি কর্মসূচির পক্ষে লড়তে হবে,যা সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের জীবনকে উন্নত করতে পারে।বার্ণি স্যান্ডার্স মনে করেন,এরুপ কর্মসূচির দৃঢ়তা নিয়ে জোহরান মামদানি এগিয়ে যাচ্ছেন।
জোহরান মামদানি যদি এবছরের নভেম্বরে আসন্ন মেয়র নির্বাচনে বিজয়ী হন, তবে তিনিই হবেন নিউইয়র্ক সিটির প্রথম মুসলিম মেয়র। তাঁর মুসলিম পরিচয়ে নিউইয়র্কের প্রায় ১০ লাখ মুসলমানের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ পরিলক্ষিত হচ্ছে।
এর বাইরে, জোহারান মামদানির সমর্থন বেড়েছে ও আরো বাড়ছে শ্রমজীবী শ্রেণির নাগরিকদের মধ্যে। অভিবাসী ও তরুণ ভোটাররাও তাঁর পক্ষাবলম্বন করছেন।যাঁরা মনে করছেন ও চান যে,নিউইয়র্ক সিটিতে সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠা পাক ও ব্যয়বহুল জীবনব্যবস্থার পরিবর্তন হোক।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান নগর নিউইয়র্ক এখন তাকিয়ে আছে সম্ভাব্য এক ইতিহাসের দিকে,যেখানে একজন অভিবাসী বংশোদ্ভূত তরুণ মুসলিম,দৃঢ় বিশ্বাসী-আত্মপ্রত্যয়ী রাজনীতিকের দিকে; যিনি সে মহানগরের নেতৃত্বে এসে রাজনীতি-অর্থনীতি-সামাজিক ও নগর সেবায় শুভ সূচনা করবেন।
আসন্ন সাধারণ নির্বাচনে নিউইয়র্ক সিটির মেয়র পদে জোহরান কোয়ামে মামদানির জয় হোক। আর এর মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কর্পোরেট-বিলিয়নার,বিত্ত-অর্থশালীদের প্রভাবিত কর্তৃত্ববাদী অসুস্থ রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিলোপের দিকে ধাবিত হোক এবং জোহরান মামদানি হয়ে উঠুক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ সারাবিশ্বের কল্যাণময় ইতিবাচক রাজনীতির সূচনা চরিত্র।
মোতাহার হোসেন চৌধুরী
Email: ddc99bd@gmail.
রিপোর্টারের নাম 

























