চট্টগ্রাম বন্দরে চলমান ধর্মঘট আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত ঘোষণা করেছে বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও আসন্ন রমজানে নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে রোববার গভীর রাতে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। তবে আন্দোলনকারী ১৬ শ্রমিককে সাময়িক বরখাস্ত ও তাদের আবাসস্থল বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না হলে ১৬ ফেব্রুয়ারি নতুন কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি।
রোববার দিবাগত রাত ১টার দিকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ধর্মঘট স্থগিতের ঘোষণা দেয় বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ। সংগঠনের সমন্বয়ক ও জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের নেতা হুমায়ুন কবির এবং ইব্রাহিম খোকনের স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার সকাল ৮টা থেকে সব শ্রমিক-কর্মচারী কাজে যোগ দেবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, নৌ পরিবহন উপদেষ্টা ও বিডা চেয়ারম্যান ঢাকায় এই সরকারের আমলে বন্দর বিদেশিদের কাছে লিজ না দেওয়ার যে ঘোষণা দিয়েছেন, তাতে বন্দরের শ্রমিক-কর্মচারীরা আশ্বস্ত হয়েছেন। এই আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে এবং জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ পরিস্থিতি বিবেচনায় ধর্মঘট স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তবে একই সঙ্গে ১৬ জন আন্দোলনকারী শ্রমিক-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত ও তাদের আবাসন সুবিধা বাতিলের যে সিদ্ধান্ত বন্দর কর্তৃপক্ষ নিয়েছে, তাতে শ্রমিক-কর্মচারীদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ এই আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর আহ্বান জানিয়েছে। অন্যথায়, আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন করে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 

























