২০২৬ সালের পবিত্র হজের ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া আজ রোববার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে। সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ২০ মার্চ পর্যন্ত হজযাত্রীরা ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ অনুবিভাগ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত বছরগুলোতে শেষ সময়ে ভিসা আবেদনের সুযোগ থাকলেও এবার সৌদি সরকার নিয়ম পরিবর্তন করেছে। মূলত হজযাত্রীদের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে ‘নুসুক কার্ড’ সময়মতো সরবরাহ করতেই এই আগাম সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছর দেরিতে ভিসা করার কারণে অনেক হজযাত্রী নুসুক কার্ড পেতে জটিলতার সম্মুখীন হয়েছিলেন, যা এবার এড়াতে চায় সৌদি কর্তৃপক্ষ।
এ বছর যারা হজে যেতে আগ্রহী, তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সৌদি আরবের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘নুসুক মাসার’-এর মাধ্যমে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। ২০ মার্চের এই সময়সীমা নিবন্ধিত প্রবাসী বাংলাদেশিসহ সবার জন্যই প্রযোজ্য হবে।
আবেদন প্রক্রিয়ার পাশাপাশি হজযাত্রীদের জন্য স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কিছু কড়া নির্দেশনাও জারি করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। হজে গমনেচ্ছুদের দেশের যেকোনো সরকারি হাসপাতাল থেকে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং নির্দিষ্ট কেন্দ্র থেকে নির্ধারিত টিকা গ্রহণ করতে হবে। এরপর সংগৃহীত ফিটনেস সনদ ২০ মার্চের মধ্যে ভিসা আবেদনের সঙ্গে দাখিল করতে হবে। মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, যথাযথ ফিটনেস সনদ ছাড়া কোনো হজযাত্রী এবার হজে যাওয়ার সুযোগ পাবেন না।
উল্লেখ্য, আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে হজের প্রথম ফ্লাইট শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২০২৬ সালের ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। হজযাত্রা সুশৃঙ্খল ও নির্বিঘ্ন করতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























