একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের নির্বাচন পর্যন্ত চাঁদাবাজি বন্ধ রাখার ঘোষণাকে কেন্দ্র করে তীব্র প্রশ্ন ও সমালোচনার ঝড় বইছে রাজনৈতিক অঙ্গনে। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এমন বক্তব্যকে ‘বিস্ময়কর’ আখ্যা দিয়ে এর পেছনের উদ্দেশ্য নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
শনিবার এক নির্বাচনি জনসভায় তিনি বলেন, “নির্বাচন পর্যন্ত চাঁদাবাজি নিষেধ—এই কথা বলে তারা আসলে কী বোঝাতে চাইছেন? এর মানে কি এই যে, নির্বাচনের দিন পর্যন্ত চাঁদাবাজি করা যাবে, কিন্তু তারপর যা খুশি তাই? এই ধরনের বক্তব্য সাধারণ মানুষের মধ্যে শুধু বিভ্রান্তিই সৃষ্টি করছে না, বরং সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের সদিচ্ছা নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন তুলছে।”
সজীব ভূঁইয়ার মতে, চাঁদাবাজির মতো একটি অপরাধ কোনো নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নিষিদ্ধ হতে পারে না। এটি সব সময়ই বেআইনি, অগ্রহণযোগ্য এবং নিন্দনীয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধ দমনের ক্ষেত্রে সকল রাজনৈতিক দলের একটি স্পষ্ট ও দায়িত্বশীল অবস্থান থাকা অত্যন্ত জরুরি। অন্যথায়, সাধারণ মানুষের আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এনসিপির এই মুখপাত্র সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, কেবল নির্বাচনের সময় নয়, বরং সব সময়ই চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে একটি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা উচিত।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা ও কর্ণফুলী) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সরওয়ার জামাল নিজাম তার কর্মীদের উদ্দেশে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চাঁদাবাজি বন্ধ রাখার আহ্বান জানান। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে আনোয়ারা উপজেলার চাতুরী চৌমুহনী বাজারে একটি নির্বাচনি কার্যালয় উদ্বোধনের সময় তিনি এই বার্তা দেন। এই সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 

























