ঢাকা ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

তরুণদের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি জামায়াত আমিরের

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৪:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আগামী নির্বাচনে জামায়াত বিজয়ী হলে তরুণ প্রজন্মের চাহিদা ও স্বপ্ন অনুযায়ী দেশের সামগ্রিক চিত্র বদলে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, আমরা দেশের মালিক হতে চাই না, বরং জনগণের সেবক ও পাহারাদার হিসেবে কাজ করতে চাই। বিজয়ী হলে প্রতিটি নাগরিকের মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করা হবে।

শনিবার বিকেলে সিলেটের ঐতিহাসিক সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সিলেট ও সুনামগঞ্জের জোটভুক্ত প্রার্থীদের সমর্থনে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

ডা. শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে বলেন, এবারের নির্বাচন হবে প্রচলিত পচা ও কলুষিত রাজনীতির আমূল পরিবর্তনের লড়াই। তিনি ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আমি এই সিলেটেরই সন্তান। আপনাদের কোলেই আমি বড় হয়েছি। আমাদের একবার সুযোগ দিন। আমরা আপনাদের হয়ে কাজ করতে চাই। ইনশাল্লাহ, আমরা জয়ী হলে রাজনীতির পুরোনো চরিত্র পাল্টে যাবে।”

সমাবেশে উপস্থিত বিশাল জনস্রোতের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জামায়াত কেবল দলের বিজয় চায় না, বরং ১৮ কোটি মানুষের অধিকারের বিজয় চায়। তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যে, নির্বাচনের পর দেশে এক নতুন ও সম্ভাবনাময় সূর্যের উদয় হবে।

শনিবার দুপুর থেকেই সিলেট ও আশপাশের জেলা থেকে নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে জনসভাস্থলে সমবেত হতে থাকেন। বিশেষ করে, এবারের সমাবেশে নারী ভোটার ও কর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত এবং বিপুল উপস্থিতি ছিল লক্ষ্যণীয়।

সিলেট মহানগর জামায়াতের আমিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই জনসভায় কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ ১১-দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতারা বক্তব্য রাখেন। সমাবেশে সিলেট ও সুনামগঞ্জের বিভিন্ন সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে তাদের হাতে দলীয় প্রতীক তুলে দেওয়া হয় এবং তাদের বিজয়ী করার আহ্বান জানানো হয়।

উল্লেখ্য, সিলেটে এই জনসভায় যোগ দেওয়ার আগে ডা. শফিকুর রহমান সকালে হবিগঞ্জ এবং দুপুরে মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় পৃথক দুটি নির্বাচনি সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। ব্যস্ত এই নির্বাচনি সফর শেষে তিনি হেলিকপ্টারযোগে সিলেটে এসে পৌঁছান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অমর একুশে বইমেলায় ইফতারের ভিন্ন চিত্র: বই আর মানুষের মিলনমেলা

তরুণদের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি জামায়াত আমিরের

আপডেট সময় : ১০:২৪:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আগামী নির্বাচনে জামায়াত বিজয়ী হলে তরুণ প্রজন্মের চাহিদা ও স্বপ্ন অনুযায়ী দেশের সামগ্রিক চিত্র বদলে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, আমরা দেশের মালিক হতে চাই না, বরং জনগণের সেবক ও পাহারাদার হিসেবে কাজ করতে চাই। বিজয়ী হলে প্রতিটি নাগরিকের মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করা হবে।

শনিবার বিকেলে সিলেটের ঐতিহাসিক সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সিলেট ও সুনামগঞ্জের জোটভুক্ত প্রার্থীদের সমর্থনে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

ডা. শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে বলেন, এবারের নির্বাচন হবে প্রচলিত পচা ও কলুষিত রাজনীতির আমূল পরিবর্তনের লড়াই। তিনি ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আমি এই সিলেটেরই সন্তান। আপনাদের কোলেই আমি বড় হয়েছি। আমাদের একবার সুযোগ দিন। আমরা আপনাদের হয়ে কাজ করতে চাই। ইনশাল্লাহ, আমরা জয়ী হলে রাজনীতির পুরোনো চরিত্র পাল্টে যাবে।”

সমাবেশে উপস্থিত বিশাল জনস্রোতের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জামায়াত কেবল দলের বিজয় চায় না, বরং ১৮ কোটি মানুষের অধিকারের বিজয় চায়। তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যে, নির্বাচনের পর দেশে এক নতুন ও সম্ভাবনাময় সূর্যের উদয় হবে।

শনিবার দুপুর থেকেই সিলেট ও আশপাশের জেলা থেকে নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে জনসভাস্থলে সমবেত হতে থাকেন। বিশেষ করে, এবারের সমাবেশে নারী ভোটার ও কর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত এবং বিপুল উপস্থিতি ছিল লক্ষ্যণীয়।

সিলেট মহানগর জামায়াতের আমিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই জনসভায় কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ ১১-দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতারা বক্তব্য রাখেন। সমাবেশে সিলেট ও সুনামগঞ্জের বিভিন্ন সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে তাদের হাতে দলীয় প্রতীক তুলে দেওয়া হয় এবং তাদের বিজয়ী করার আহ্বান জানানো হয়।

উল্লেখ্য, সিলেটে এই জনসভায় যোগ দেওয়ার আগে ডা. শফিকুর রহমান সকালে হবিগঞ্জ এবং দুপুরে মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় পৃথক দুটি নির্বাচনি সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। ব্যস্ত এই নির্বাচনি সফর শেষে তিনি হেলিকপ্টারযোগে সিলেটে এসে পৌঁছান।