ঢাকা ০২:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ময়দানে প্রধান দলগুলো

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০১:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

২০২৪ সালে এক নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে বাংলাদেশে। শেখ হাসিনার শাসনের অবসানের পর আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। একই দিনে জুলাই সনদের ওপর গণভোটেরও আয়োজন করা হয়েছে। এই নির্বাচন দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

সংসদের ৩০০ আসনের জন্য মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামছে দুটি প্রধান জোট। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ১০ দলীয় জোটের নেতৃত্ব দিচ্ছে, অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী (জেআইবি) ১১ দলীয় জোটের নেতৃত্বে রয়েছে। জামায়াতের জোটে উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণকারী হিসেবে দেখা যাচ্ছে ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি), যারা হাসিনাবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ছিল। তবে, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ সীমিত।

এই দুটি প্রধান জোট ছাড়াও, জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট থেকে বেরিয়ে আসা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের শরিক জাতীয় পার্টিও স্বাধীনভাবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এই দলগুলোও তাদের নিজস্ব এজেন্ডা নিয়ে ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা করবে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি):
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি আসন্ন নির্বাচনে অন্যতম প্রধান শক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ১৯৭৮ সালে জিয়াউর রহমান, যিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে একজন বিশিষ্ট সামরিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী আদর্শের ভিত্তিতে এই দলটি প্রতিষ্ঠা করেন। মধ্য-ডানপন্থী রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি বহু দশক ধরে দেশের রাজনীতিতে একটি শক্তিশালী অবস্থান ধরে রেখেছে এবং ঐতিহ্যগতভাবে আওয়ামী লীগের সঙ্গে ক্ষমতার ভাগাভাগি করে আসছে।

যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বসবাসকারী ৬০ বছর বয়সী তারেক রহমান ২০০৮ সাল থেকে বিদেশে রয়েছেন। তিনি তার মা খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর, ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরার পর বিএনপির নেতৃত্ব গ্রহণ করেছেন। সম্প্রতি দেশে ফিরে তিনি পাহাড় ও সমতলের সকল ধর্ম-বর্ণের (মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান) নাগরিকদের অন্তর্ভুক্ত করে একটি নিরাপদ এবং সমন্বিত জাতি গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। একই সঙ্গে, দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নের ওপরও তিনি জোর দিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে যানবাহন চুরির হিড়িক: প্রতিদিন গড়ে চুরি হচ্ছে একটি গাড়ি বা মোটরসাইকেল

বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ময়দানে প্রধান দলগুলো

আপডেট সময় : ০৪:০১:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

২০২৪ সালে এক নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে বাংলাদেশে। শেখ হাসিনার শাসনের অবসানের পর আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। একই দিনে জুলাই সনদের ওপর গণভোটেরও আয়োজন করা হয়েছে। এই নির্বাচন দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

সংসদের ৩০০ আসনের জন্য মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামছে দুটি প্রধান জোট। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ১০ দলীয় জোটের নেতৃত্ব দিচ্ছে, অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী (জেআইবি) ১১ দলীয় জোটের নেতৃত্বে রয়েছে। জামায়াতের জোটে উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণকারী হিসেবে দেখা যাচ্ছে ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি), যারা হাসিনাবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ছিল। তবে, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ সীমিত।

এই দুটি প্রধান জোট ছাড়াও, জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট থেকে বেরিয়ে আসা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের শরিক জাতীয় পার্টিও স্বাধীনভাবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এই দলগুলোও তাদের নিজস্ব এজেন্ডা নিয়ে ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা করবে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি):
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি আসন্ন নির্বাচনে অন্যতম প্রধান শক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ১৯৭৮ সালে জিয়াউর রহমান, যিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে একজন বিশিষ্ট সামরিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী আদর্শের ভিত্তিতে এই দলটি প্রতিষ্ঠা করেন। মধ্য-ডানপন্থী রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি বহু দশক ধরে দেশের রাজনীতিতে একটি শক্তিশালী অবস্থান ধরে রেখেছে এবং ঐতিহ্যগতভাবে আওয়ামী লীগের সঙ্গে ক্ষমতার ভাগাভাগি করে আসছে।

যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বসবাসকারী ৬০ বছর বয়সী তারেক রহমান ২০০৮ সাল থেকে বিদেশে রয়েছেন। তিনি তার মা খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর, ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরার পর বিএনপির নেতৃত্ব গ্রহণ করেছেন। সম্প্রতি দেশে ফিরে তিনি পাহাড় ও সমতলের সকল ধর্ম-বর্ণের (মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান) নাগরিকদের অন্তর্ভুক্ত করে একটি নিরাপদ এবং সমন্বিত জাতি গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। একই সঙ্গে, দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নের ওপরও তিনি জোর দিয়েছেন।