ঢাকা ০২:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

ফিলিপাইনে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণহানি, লক্ষাধিক মানুষের আশ্রয়চ্যুতি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৭:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

ফিলিপাইনের উত্তরাঞ্চলীয় কাগায়ান প্রদেশে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘বাসিয়াং’ আঘাত হেনেছে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে অন্তত আটজনের মৃত্যু হয়েছে এবং ছয় হাজারেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে সৃষ্ট প্রবল বন্যা ও ভূমিধসের ফলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে শনিবার স্থানীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে।

ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে কাগায়ান দে ওরো শহরে একটি ভূমিধসের ঘটনা ঘটে, যেখানে একই পরিবারের চারজন সদস্য প্রাণ হারান। এছাড়া ইলিগান এবং আগুসান দেল নর্তে অঞ্চল থেকেও আরও চারজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।

‘বাসিয়াং’ ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ওয়েস্টার্ন ভিসায়াস, নেগ্রোস আইল্যান্ড অঞ্চল, সেন্ট্রাল ভিসায়াস এবং কারাগা অঞ্চলেও ব্যাপক বন্যা দেখা দিয়েছে। ফিলিপাইনের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কাউন্সিলের তথ্য অনুযায়ী, এই সব অঞ্চলে প্রায় ৬৪ হাজারেরও বেশি মানুষ তাদের বাড়িঘর ছেড়ে আশ্রয়কেন্দ্রে অথবা আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ১৬ হাজার ৫২৮টি পরিবারকে ৪ ৮০টি আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

দেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, শনিবার ভোরের দিকে ঘূর্ণিঝড়টি দুর্বল হয়ে একটি লঘুচাপ এলাকায় পরিণত হয়েছে। এর আগে ঘূর্ণিঝড়টি মিন্দানাও এবং ভিসায়াস অঞ্চলে মোট পাঁচবার স্থলভাগ অতিক্রম করে।

প্রচণ্ড ঝড়ের কারণে বিমান চলাচলও ব্যাহত হয়েছে। শুক্রবার থেকেই বেশ কয়েকটি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে, যার ফলে বিমানবন্দরগুলোতে হাজার হাজার যাত্রী আটকা পড়েছেন। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (সিএএপি) জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার থেকে এখন পর্যন্ত ৩২টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে এবং এর ফলে ৭ হাজার ৭৩৭ জন যাত্রী চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে যানবাহন চুরির হিড়িক: প্রতিদিন গড়ে চুরি হচ্ছে একটি গাড়ি বা মোটরসাইকেল

ফিলিপাইনে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণহানি, লক্ষাধিক মানুষের আশ্রয়চ্যুতি

আপডেট সময় : ০৩:৫৭:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফিলিপাইনের উত্তরাঞ্চলীয় কাগায়ান প্রদেশে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘বাসিয়াং’ আঘাত হেনেছে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে অন্তত আটজনের মৃত্যু হয়েছে এবং ছয় হাজারেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে সৃষ্ট প্রবল বন্যা ও ভূমিধসের ফলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে শনিবার স্থানীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে।

ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে কাগায়ান দে ওরো শহরে একটি ভূমিধসের ঘটনা ঘটে, যেখানে একই পরিবারের চারজন সদস্য প্রাণ হারান। এছাড়া ইলিগান এবং আগুসান দেল নর্তে অঞ্চল থেকেও আরও চারজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।

‘বাসিয়াং’ ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ওয়েস্টার্ন ভিসায়াস, নেগ্রোস আইল্যান্ড অঞ্চল, সেন্ট্রাল ভিসায়াস এবং কারাগা অঞ্চলেও ব্যাপক বন্যা দেখা দিয়েছে। ফিলিপাইনের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কাউন্সিলের তথ্য অনুযায়ী, এই সব অঞ্চলে প্রায় ৬৪ হাজারেরও বেশি মানুষ তাদের বাড়িঘর ছেড়ে আশ্রয়কেন্দ্রে অথবা আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ১৬ হাজার ৫২৮টি পরিবারকে ৪ ৮০টি আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

দেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, শনিবার ভোরের দিকে ঘূর্ণিঝড়টি দুর্বল হয়ে একটি লঘুচাপ এলাকায় পরিণত হয়েছে। এর আগে ঘূর্ণিঝড়টি মিন্দানাও এবং ভিসায়াস অঞ্চলে মোট পাঁচবার স্থলভাগ অতিক্রম করে।

প্রচণ্ড ঝড়ের কারণে বিমান চলাচলও ব্যাহত হয়েছে। শুক্রবার থেকেই বেশ কয়েকটি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে, যার ফলে বিমানবন্দরগুলোতে হাজার হাজার যাত্রী আটকা পড়েছেন। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (সিএএপি) জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার থেকে এখন পর্যন্ত ৩২টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে এবং এর ফলে ৭ হাজার ৭৩৭ জন যাত্রী চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন।