ঢাকা ০২:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

ঐতিহাসিক প্রত্নবস্তু মিসরে ফিরল: সাড়ে তিন হাজার বছরের পুরনো ভাস্কর্য হস্তান্তর করল নেদারল্যান্ডস

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১৯:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

নেদারল্যান্ডস তিন হাজার ৫০০ বছরের প্রাচীন একটি মিশরীয় ভাস্কর্য মিশরকে ফেরত দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (তারিখ উল্লেখ নেই) দেশটির সংস্কৃতিমন্ত্রী গোক মুস, হেগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে, নেদারল্যান্ডসে নিযুক্ত মিশরীয় রাষ্ট্রদূত ইমাদ হাননার হাতে এই অমূল্য প্রত্নবস্তুটি তুলে দেন।

২০২২ সালে মাসট্রিক্সটে অনুষ্ঠিত একটি প্রদর্শনীতে এই ভাস্কর্যটি প্রথম জনসমক্ষে আসে। এরপর থেকেই এর উৎস ও মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে এবং আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০১১ সালের আরব বসন্তের সময় মিশরে সৃষ্ট রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগ নিয়ে এটি অবৈধভাবে দেশের বাইরে পাচার করা হয়েছিল। মূলত দক্ষিণ মিশরের প্রাচীন শহর লুক্সর থেকে এই ভাস্কর্যটি উদঘাটিত হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ফারাও তৃতীয় টুটমসের শাসনকালে একজন জ্যেষ্ঠ রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তার ভাস্কর্য ছিল। এর ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব অপরিসীম। এই প্রত্নবস্তুর প্রত্যাবর্তনে মিশরীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ ফিরে পেল দেশটি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে যানবাহন চুরির হিড়িক: প্রতিদিন গড়ে চুরি হচ্ছে একটি গাড়ি বা মোটরসাইকেল

ঐতিহাসিক প্রত্নবস্তু মিসরে ফিরল: সাড়ে তিন হাজার বছরের পুরনো ভাস্কর্য হস্তান্তর করল নেদারল্যান্ডস

আপডেট সময় : ১২:১৯:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নেদারল্যান্ডস তিন হাজার ৫০০ বছরের প্রাচীন একটি মিশরীয় ভাস্কর্য মিশরকে ফেরত দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (তারিখ উল্লেখ নেই) দেশটির সংস্কৃতিমন্ত্রী গোক মুস, হেগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে, নেদারল্যান্ডসে নিযুক্ত মিশরীয় রাষ্ট্রদূত ইমাদ হাননার হাতে এই অমূল্য প্রত্নবস্তুটি তুলে দেন।

২০২২ সালে মাসট্রিক্সটে অনুষ্ঠিত একটি প্রদর্শনীতে এই ভাস্কর্যটি প্রথম জনসমক্ষে আসে। এরপর থেকেই এর উৎস ও মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে এবং আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০১১ সালের আরব বসন্তের সময় মিশরে সৃষ্ট রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগ নিয়ে এটি অবৈধভাবে দেশের বাইরে পাচার করা হয়েছিল। মূলত দক্ষিণ মিশরের প্রাচীন শহর লুক্সর থেকে এই ভাস্কর্যটি উদঘাটিত হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ফারাও তৃতীয় টুটমসের শাসনকালে একজন জ্যেষ্ঠ রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তার ভাস্কর্য ছিল। এর ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব অপরিসীম। এই প্রত্নবস্তুর প্রত্যাবর্তনে মিশরীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ ফিরে পেল দেশটি।