ঢাকা: পারিবারিক বন্ধন দৃঢ়করণ, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বৃদ্ধি এবং প্রাতিষ্ঠানিক ঐক্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে নাবিল গ্রুপের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অংশগ্রহণে এক আনন্দঘন “মিলনমেলা ও প্রীতিভোজ ২০২৬” অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিনব্যাপী এই আয়োজন পারস্পরিক সৌহার্দ্য বিনিময় ও প্রীতিভোজের মাধ্যমে এক অভূতপূর্ব আনন্দ-উচ্ছ্বাসের সাক্ষী হয়। কর্মী-ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, সম্পর্ককে আরও মজবুত করা এবং পারিবারিক বন্ধন জোরদার করাই ছিল এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাবিল গ্রুপের চেয়ারম্যান জাহান বক্স মন্ডল। বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দেন ভাইস চেয়ারম্যান ইশরাত জাহান, এমডি ও সিইও কৃষিবিদ আমিনুল ইসলাম এবং ডিরেক্টর ইযাজ আবরার নাবিল।
অনুষ্ঠানে কৃষিবিদ আমিনুল ইসলাম বলেন, “নাবিল গ্রুপ শুধু একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান নয়, এটি একটি পরিবার। আমাদের প্রতিটি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর নিষ্ঠা, সততা ও কঠোর পরিশ্রমের ফলেই নাবিল গ্রুপ আজ দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানের কাতারে নিজেদের স্থান করে নিয়েছে। আমি আশাবাদী, এই মিলনমেলা আমাদের ঐক্য, ভালোবাসা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধকে আরও সুদৃঢ় করবে।” তিনি আরও বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, মানুষই আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ। প্রত্যেকের সম্মিলিত অবদানেই নাবিল গ্রুপের এই অগ্রযাত্রা সম্ভব হয়েছে।”
চেয়ারম্যান জাহান বক্স মন্ডল কর্মীদের উদ্দেশ্যে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, “আপনাদের শ্রম, সততা এবং দায়িত্ববোধই নাবিল গ্রুপের আসল শক্তি। আমরা যদি একসাথে এগিয়ে চলি, তবে ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল হবে।” ভাইস চেয়ারম্যান ইশরাত জাহান যোগ করেন, “এখানে কর্মরত প্রত্যেক কর্মীই এই প্রতিষ্ঠানের প্রাণ। এই মিলনমেলা আমাদের পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও মানবিক ও দৃঢ় করেছে।” ডিরেক্টর ইযাজ আবরার নাবিল উল্লেখ করেন, “টিমওয়ার্কই আমাদের সফলতার মূল চাবিকাঠি। আমরা একসাথে থাকলে অসম্ভব বলে কিছু থাকবে না।”
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী কর্মচারীরা তাদের আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। সিনিয়র কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ বলেন, “আমরা গর্বিত যে এমন একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করছি, যেখানে আমাদের একটি পরিবার হিসেবে গণ্য করা হয়।” একজন তরুণ কর্মী আয়নাল হক বলেন, “এই আয়োজন আমাদের অনুপ্রাণিত করে, কাজের প্রতি ভালোবাসা বাড়ায় এবং প্রতিষ্ঠানের প্রতি এক আত্মিক সম্পর্ক গড়ে তোলে।”
নাবিল গ্রুপ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে, একসাথে পথ চলাই সাফল্যের সর্বশ্রেষ্ঠ শক্তি। “মিলনমেলা ও প্রীতিভোজ ২০২৬” সেই বিশ্বাসকে আরও সুসংহত করেছে।
রিপোর্টারের নাম 




















