মার্কিন বিচার বিভাগ কর্তৃক প্রকাশিত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইনের সর্বশেষ নথিতে এবার উঠে এসেছে ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের নাম। প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, ক্ষমতা ছাড়ার পর পরামর্শক হিসেবে কাজ করে ব্লেয়ার বিপুল অংকের অর্থ উপার্জন করেছেন বলে চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়েছে।
সম্প্রতি জনসমক্ষে আসা এই নথিতে জেফ্রি এপস্টেইন ও ইসরাইলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এহুদ বারাকের মধ্যে রেকর্ড করা একটি কথোপকথনের বিবরণ পাওয়া গেছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, ডাউনিং স্ট্রিট ছাড়ার পরবর্তী সময়ে টনি ব্লেয়ার বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও দেশের পরামর্শক হিসেবে কাজ করে কোটি কোটি ডলার আয় করেছেন। মূলত তার এই বিপুল আয়ের উৎস এবং এর পেছনে থাকা প্রভাব নিয়ে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
নথিগুলোতে দেখা যায়, এপস্টেইন ও এহুদ বারাক টনি ব্লেয়ারের রাজনৈতিক প্রভাব এবং পরবর্তী পেশাগত জীবন নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছেন। যদিও এর আগেও ব্লেয়ারের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড ও বিদেশি সরকারগুলোর সাথে তার পরামর্শক হিসেবে কাজের ক্ষেত্র নিয়ে নানা মহলে সমালোচনা ছিল, তবে এপস্টেইন নথিতে এই প্রসঙ্গের অবতারণা বিষয়টিকে ভিন্ন মাত্রা দিয়েছে।
মার্কিন বিচার বিভাগের এই নথি প্রকাশের পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তোলপাড় শুরু হয়েছে। বিশেষ করে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সাথে বিতর্কিত ধনকুবের এপস্টেইনের যোগাযোগ এবং তাদের আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি এখন নতুন করে তদন্ত ও বিশ্লেষণের দাবি রাখছে। তবে এই নতুন অভিযোগের প্রেক্ষিতে টনি ব্লেয়ারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
রিপোর্টারের নাম 






















