ঢাকা ০২:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

বাহুবলে টমটম চালক হত্যা: মূল আসামি গ্রেপ্তার, ব্যবহৃত সিএনজি জব্দ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৩:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জের বাহুবলে চাঞ্চল্যকর টমটম চালক কাশেম আলী হত্যা মামলার মূল অভিযুক্ত এমরান মিয়াকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশাও জব্দ করা হয়েছে।

পিবিআই সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার দুপুরে এই গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। আসামি এমরান মিয়াকে গত ৩ ফেব্রুয়ারি বেলা দেড়টার দিকে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার দুলিয়াখাল পয়েন্ট এলাকা থেকে পলাতক অবস্থায় গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত এমরান মিয়া মিরপুর ইউনিয়নের লামাতাশি গ্রামের দরবেশ আলীর ছেলে। নিহত কাশেম আলীর বাড়িও একই গ্রামে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এমরান মিয়া পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। এর আগে এই মামলার প্রধান আসামি ফারুককে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পিবিআই। ফারুকের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কাশেম হত্যায় এমরানের জড়িত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয় তদন্তকারীরা। এরপর থেকেই এমরানকে গ্রেপ্তারের জন্য নিবিড় অভিযান চলছিল। পিবিআই তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে তার অবস্থান শনাক্ত করে এবং অবশেষে সফল অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারের উখিয়ায় সেহরির সময় গৃহবধূকে নৃশংস হত্যা: এলাকায় আতঙ্ক

বাহুবলে টমটম চালক হত্যা: মূল আসামি গ্রেপ্তার, ব্যবহৃত সিএনজি জব্দ

আপডেট সময় : ০৫:৩৩:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

হবিগঞ্জের বাহুবলে চাঞ্চল্যকর টমটম চালক কাশেম আলী হত্যা মামলার মূল অভিযুক্ত এমরান মিয়াকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশাও জব্দ করা হয়েছে।

পিবিআই সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার দুপুরে এই গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। আসামি এমরান মিয়াকে গত ৩ ফেব্রুয়ারি বেলা দেড়টার দিকে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার দুলিয়াখাল পয়েন্ট এলাকা থেকে পলাতক অবস্থায় গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত এমরান মিয়া মিরপুর ইউনিয়নের লামাতাশি গ্রামের দরবেশ আলীর ছেলে। নিহত কাশেম আলীর বাড়িও একই গ্রামে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এমরান মিয়া পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। এর আগে এই মামলার প্রধান আসামি ফারুককে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পিবিআই। ফারুকের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কাশেম হত্যায় এমরানের জড়িত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয় তদন্তকারীরা। এরপর থেকেই এমরানকে গ্রেপ্তারের জন্য নিবিড় অভিযান চলছিল। পিবিআই তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে তার অবস্থান শনাক্ত করে এবং অবশেষে সফল অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।