ঝিনাইদহে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে যেখানে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে ভোট চাওয়ার অজুহাতে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। অস্ত্রের মুখে বাড়ির সদস্যদের জিম্মি করে ডাকাত দল নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার এবং মূল্যবান সামগ্রীসহ প্রায় ১৩ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পাগলাকানাই ইউনিয়নের বাড়িবাথান গ্রামে মঙ্গলবার রাতে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১০টার দিকে ৫-৬ জন অস্ত্রধারী ডাকাত একটি মোটরসাইকেলে করে বাড়িবাথান গ্রামের মৃত আব্দুল গনির ছেলে ও সার ব্যবসায়ী রওশন আলীর বাড়িতে প্রবেশ করে। ছদ্মবেশী ডাকাতরা নিজেদের ধানের শীষের সমর্থক পরিচয় দিয়ে ভোট চাওয়ার নামে বাড়ির ভেতরে ঢোকে।
কথাবার্তার এক পর্যায়ে ডাকাতরা বাড়ির সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ফেলে। তারা রওশন আলীর বৃদ্ধ মা নাজমা খাতুন, স্ত্রী রিনা খাতুন এবং দুই শিশুপুত্র আব্দুস সালাম ও আব্দুস নুরকে হাত-পা বেঁধে মুখে টেপ লাগিয়ে দেয়। এরপর ডাকাত দল নগদ ২ লাখ টাকা, স্বর্ণালংকার এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী মিলিয়ে মোট ১৩ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। ঘটনাচক্রে, সেসময় সার ব্যবসায়ী রওশন আলী বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন না। রাতে তিনি বাড়ি ফিরে প্রতিবেশীদের সহায়তায় পরিবারের সদস্যদের উদ্ধার করেন।
রওশন আলীর প্রতিবেশী কৃষক রবিউল ইসলাম জানান, ধানের শীষের ভোট চাওয়ার কথা বলে ডাকাতরা বাড়িতে প্রবেশ করেছিল। ভোটের আবহে এমন অভিনব কায়দায় ডাকাতির ঘটনায় গ্রামের সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
এ ঘটনায় রওশন আলী ঝিনাইদহ সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। বুধবার সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিল্লাল হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানিয়েছেন, পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছে। তিনি আরও জানান, প্রাথমিক তথ্যানুসারে, ভোট চাওয়ার নাম করে দুজন ব্যক্তি ওই বাড়িতে প্রবেশ করেছিল।
রিপোর্টারের নাম 






















