আসন্ন পবিত্র রমজান মাসজুড়ে সাধারণ মানুষের আমিষের চাহিদা পূরণে এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের যৌথ ব্যবস্থাপনায় মাসব্যাপী সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম, গরুর মাংস ও ড্রেসড ব্রয়লার বিক্রি করা হবে। রমজানের আগের দিন থেকে শুরু হয়ে ২৫ রমজান পর্যন্ত মোট ২৬ দিন এই বিশেষ কার্যক্রম পরিচালিত হবে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্রের মাধ্যমে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে মাংস, ডিম ও দুধের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ এবং বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখার বিষয়ে করণীয় নির্ধারণে গত রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায় বিস্তারিত আলোচনার পর এই কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হয়।
এই কর্মসূচির আওতায় ভোক্তারা প্রতি কেজি ড্রেসড ব্রয়লার মাংস ২৪৫ টাকায়, প্রতি লিটার পাস্তুরিত দুধ ৮০ টাকায়, প্রতি পিস ডিম ৮ টাকায় এবং প্রতি কেজি গরুর মাংস ৬৫০ টাকায় ক্রয় করতে পারবেন। বর্তমান বাজারমূল্যের তুলনায় এই মূল্য যথেষ্ট সাশ্রয়ী বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে ঢাকা মহানগর ও এর আশপাশের সিটি করপোরেশন এলাকায় ২৫টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে। জনগণের চাহিদা বিবেচনায় এই স্থানগুলো নির্বাচন করা হয়েছে। প্রস্তাবিত স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে সচিবালয় সংলগ্ন আব্দুল গনি রোড, খামারবাড়ি (ফার্মগেট), ষাটফুট রোড (মিরপুর), আজিমপুর মাতৃসদন, নয়াবাজার (পুরান ঢাকা), উত্তরা হাউজ বিল্ডিং, রামপুরা বাজার, হাজারীবাগ, আরামবাগ (মতিঝিল), কালশী (মিরপুর), মানিক নগর (যাত্রাবাড়ী), শাহজাদপুর (বাড্ডা), কড়াইল বস্তি (বনানী), কামরাঙ্গীরচর, খিলগাঁও (রেল ক্রসিং দক্ষিণ), নাখালপাড়া (লুকাস মোড়), সেগুনবাগিচা (কাঁচাবাজার), মোহাম্মদপুর (বাবর রোড), মোহাম্মদপুর (বসিলা), কাকরাইল, বনশ্রী, মিরপুর-১০, কল্যাণপুর, তেজগাঁও এবং পুরান ঢাকা (বঙ্গবাজার)।
এছাড়াও, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আওতাধীন বিভাগীয় পরিচালক ও জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাগণ জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে ঢাকা শহরের বাইরে অন্যান্য বিভাগীয় ও জেলা শহরেও স্থানীয় বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম, মাংস ও ব্রয়লার বিপণনের উদ্যোগ গ্রহণ করবেন। স্থানীয় উদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনের সঙ্গে সমন্বয় করে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়ের জন্য স্থায়ী স্পট নির্ধারণের মাধ্যমে বিক্রয় কেন্দ্রের সংখ্যা পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধি করা হবে।
রিপোর্টারের নাম 





















