পাল্লেকেলেতে বৃষ্টিবিঘ্নিত দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ৬ উইকেটে হারিয়ে সিরিজ নিশ্চিত করেছে সফরকারী ইংল্যান্ড। এই জয়ের ফলে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ইংলিশরা। একই সাথে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এটি তাদের টানা দশম জয়, যা ২০১৪ সালের মে মাসের পর থেকে লঙ্কানরা এই ফরম্যাটে ইংল্যান্ডকে আর হারাতে পারেনি।
টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শ্রীলঙ্কা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৮৯ রানের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ দাঁড় করায়। দলের পক্ষে পাথুম নিসাঙ্কা ২২ বলে ৩৬, কামিল মিশারা ৩০ বলে ৩৬ এবং কুসাল মেন্ডিস ১৭ বলে ৩২ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলেন। তবে চার নম্বরে নেমে পবন রত্নায়েকের ২২ বলে ৪০ রানের ঝোড়ো ইনিংসটি ছিল সর্বোচ্চ, যেখানে ছিল ৫টি চার ও ১টি ছক্কার মার। এছাড়া চারিথ আসালাঙ্কা ২২ বলে ২৮ রান যোগ করেন। ইংল্যান্ডের পক্ষে আর্চার ২ উইকেট এবং রশিদ ১ উইকেট লাভ করেন।
১৯০ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইংল্যান্ড শুরুতেই ধাক্কা খায়, চল্লিশ রানের আগেই হারায় দুই উইকেট। ইনিংসের অষ্টম ওভারে বৃষ্টি নামলে খেলা কিছুক্ষণ বন্ধ থাকে। বৃষ্টির পর ডাকওয়ার্থ-লুইস-স্টার্ন (ডিএলএস) পদ্ধতিতে ইংল্যান্ডের জন্য নতুন লক্ষ্য নির্ধারিত হয় ১৭ ওভারে ১৬৮ রান। এই পরিবর্তিত লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে জস বাটলারের ৩৯ রানের পাশাপাশি টম ব্যান্টন ও হ্যারি ব্রুকের ব্যাটে জয়ের বন্দরে পৌঁছায় সফরকারীরা। ব্যান্টন ৩৩ বলে ৪টি চার ও ৩টি ছক্কায় অপরাজিত ৫৪ রানের এক অসাধারণ ইনিংস খেলেন। অন্যদিকে, হ্যারি ব্রুক মাত্র ১২ বলে ৫টি চার ও ২টি ছক্কায় ৩৬ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে দলের জয় নিশ্চিত করেন। শ্রীলঙ্কার পক্ষে পাথিরানা ২ উইকেট এবং শানাকা ১ উইকেট শিকার করেন। ইংল্যান্ড ১৬.৪ ওভারেই ৪ উইকেট হারিয়ে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয়।
এই জয়ের মাধ্যমে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে নিজেদের অপ্রতিরোধ্য ধারা বজায় রাখল ইংল্যান্ড। ২০১৪ সালের পর থেকে লঙ্কানরা টি-টোয়েন্টিতে একবারও ইংলিশদের হারাতে পারেনি, যা এই ফরম্যাটে ইংল্যান্ডের ধারাবাহিক আধিপত্যের প্রমাণ। তিন ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ইংল্যান্ড এখন শেষ ম্যাচটি কেবল আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে খেলবে। একই মাঠে আগামীকাল সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মুখোমুখি হবে দুই দল।
রিপোর্টারের নাম 






















