গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুহল হক নুর মন্তব্য করেছেন যে, গণভোটের দাবি রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল ও মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “রাজনৈতিক ফায়দা ও মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য, নিজেদের ধান্দাবাজির জন্য গণভোটের দাবি জানানো হচ্ছে। পর্দার আড়ালের আলোচনা আমরা জানি। অনেকেই বিরোধী দল হওয়ার জন্য দেন-দরবার করছে। অনেকে ১০টা না ১৫ সিট—তার দরদাম করার জন্য গণভোটকে টুলস হিসেবে সামনে আনছে।”
শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “গণভোটের দাবি ব্যক্তিগত স্বার্থে; দেশ ও জাতির স্বার্থে নয়। এই দাবি নির্বাচনকে অনিশ্চয়তার দিকে নিয়ে যাবে।”
“সরকার যদি তিন মাস আগে সংস্কার শেষ করত, তাহলে গণভোট দিতে পারত। ডিসেম্বরে যদি তফসিল হয়, ফেব্রুয়ারিতে যদি ইলেকশন হয়, তাহলে সময় থাকে এক মাস। এক মাস আগে কী একটা গণভোট সম্ভব? এই দুর্বল প্রশাসন এবং সরকারও ক্ষণে ক্ষণে বদলায়, আকাশের মেঘের মতো বদলায়; একেক সময় একেক পজিশন নেয়।”
নুর বলেন, “জুলাই সনদে সবাই স্বাক্ষর করেছে। এখন নির্বাচন দিতে কোনো বাধা নেই। সরকারকে বলব, জানুয়ারিতে নির্বাচন দিন। নতুন বছরের প্রথম মাসে জাতীয় নির্বাচন হোক।”
তিনি আরও বলেন, “জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গেই গণভোট হবে।”
তিনি আরো বলেন, “গণভোট নিয়ে যদি বিরোধ ও বিভাজন থাকে—আমরা যে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছি, তাদের পরাজিত করেছি, তাদের রাজনীতিতে সুযোগ না দেওয়ার কথা বলছি, তারাই কিন্তু সুযোগ নেবেন।”
রিপোর্টারের নাম 
























