ঢাকা ০২:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

মির্জা আব্বাস: কুৎসা রটিয়ে ভোট হয় না, ইসির বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০৯:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ঢাকা-৮ আসনে দলের মনোনীত প্রার্থী মির্জা আব্বাস রবিবার রাজধানীর খিলগাঁও বাজারে গণসংযোগকালে অভিযোগ করেছেন যে, কুৎসা রটিয়ে, বিভ্রান্তি ছড়িয়ে বা ধাপ্পা দিয়ে জনগণের ভোট অর্জন করা যায় না। তিনি একইসঙ্গে নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছেন।

গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে মির্জা আব্বাস বলেন, কিছু রাজনৈতিক দল নিশ্চিতভাবে ধরে নিয়েছে তারা নির্বাচনে জয়লাভ করবে। জনগণ জানতে চায়, তাদের এই আত্মবিশ্বাসের উৎস কী। তিনি নির্বাচনী পরিবেশকে ‘ভালো নয়’ উল্লেখ করে বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধিতে আক্রমণাত্মক বা উস্কানিমূলক কথা বলার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তার নির্বাচনী এলাকায় তা মানা হচ্ছে না। তিনি দাবি করেন, তাকেই বিশেষভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে এবং যারা তার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছেন, তাদের ইহকাল ও পরকালে জবাবদিহি করতে হবে।

নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব এসব বিষয় নজরদারিতে রাখা উল্লেখ করে আব্বাস অভিযোগ করেন, কমিশন পক্ষপাত অবলম্বন করছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এত অপবাদ ও মিথ্যাচারের পরও কেন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না, যদিও অভিযোগ জানানো হয়েছে। তিনি বলেন, ‘কোনো কর্ণপাত নেই।’

ঢাকা-৮ আসনের ভোটার তালিকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মির্জা আব্বাস বলেন, তার নির্বাচনী এলাকার ২ লক্ষ ৮০ হাজার ভোটের মধ্যে অর্ধেক ভোটারই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান, যদি এসব ভোটারকে চিহ্নিত করা না যায়, তবে তাদের বাতিল করা হোক, অন্যথায় নির্বাচনের প্রকৃত ফলাফল আসবে না।

কর্মজীবী নারী সম্পর্কে ‘স্বাধীনতা বিরোধী একটি দলের শীর্ষনেতা’র ‘অশ্লীল ও নোংরা মন্তব্য’-এর তীব্র নিন্দা জানিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, আমাদের ধর্ম কর্মজীবী নারীদের অধিকারের বিরোধিতা করে না, বরং তাদের সমঅধিকার প্রদান করেছে। তিনি নারী সমাজকে এ ধরনের দলের প্রতি সজাগ থাকার আহ্বান জানান।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যদিও গণমাধ্যম তাদের বিরুদ্ধে অনেক সময় কিছু লেখে, তারা সে বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেন না, কারণ তারা গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। তিনি আরও বলেন, একটি ‘অর্বাচীন বালক’ যেভাবে গণমাধ্যমকে আক্রমণ করে কথা বলছেন এবং হুমকি দিচ্ছেন, তা ৭১-এর যুদ্ধ এবং দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের সংগ্রাম সংগঠিত হওয়ার মূল চেতনার পরিপন্থী।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে যানবাহন চুরির হিড়িক: প্রতিদিন গড়ে চুরি হচ্ছে একটি গাড়ি বা মোটরসাইকেল

মির্জা আব্বাস: কুৎসা রটিয়ে ভোট হয় না, ইসির বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৭:০৯:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ঢাকা-৮ আসনে দলের মনোনীত প্রার্থী মির্জা আব্বাস রবিবার রাজধানীর খিলগাঁও বাজারে গণসংযোগকালে অভিযোগ করেছেন যে, কুৎসা রটিয়ে, বিভ্রান্তি ছড়িয়ে বা ধাপ্পা দিয়ে জনগণের ভোট অর্জন করা যায় না। তিনি একইসঙ্গে নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছেন।

গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে মির্জা আব্বাস বলেন, কিছু রাজনৈতিক দল নিশ্চিতভাবে ধরে নিয়েছে তারা নির্বাচনে জয়লাভ করবে। জনগণ জানতে চায়, তাদের এই আত্মবিশ্বাসের উৎস কী। তিনি নির্বাচনী পরিবেশকে ‘ভালো নয়’ উল্লেখ করে বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধিতে আক্রমণাত্মক বা উস্কানিমূলক কথা বলার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তার নির্বাচনী এলাকায় তা মানা হচ্ছে না। তিনি দাবি করেন, তাকেই বিশেষভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে এবং যারা তার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছেন, তাদের ইহকাল ও পরকালে জবাবদিহি করতে হবে।

নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব এসব বিষয় নজরদারিতে রাখা উল্লেখ করে আব্বাস অভিযোগ করেন, কমিশন পক্ষপাত অবলম্বন করছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এত অপবাদ ও মিথ্যাচারের পরও কেন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না, যদিও অভিযোগ জানানো হয়েছে। তিনি বলেন, ‘কোনো কর্ণপাত নেই।’

ঢাকা-৮ আসনের ভোটার তালিকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মির্জা আব্বাস বলেন, তার নির্বাচনী এলাকার ২ লক্ষ ৮০ হাজার ভোটের মধ্যে অর্ধেক ভোটারই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান, যদি এসব ভোটারকে চিহ্নিত করা না যায়, তবে তাদের বাতিল করা হোক, অন্যথায় নির্বাচনের প্রকৃত ফলাফল আসবে না।

কর্মজীবী নারী সম্পর্কে ‘স্বাধীনতা বিরোধী একটি দলের শীর্ষনেতা’র ‘অশ্লীল ও নোংরা মন্তব্য’-এর তীব্র নিন্দা জানিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, আমাদের ধর্ম কর্মজীবী নারীদের অধিকারের বিরোধিতা করে না, বরং তাদের সমঅধিকার প্রদান করেছে। তিনি নারী সমাজকে এ ধরনের দলের প্রতি সজাগ থাকার আহ্বান জানান।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যদিও গণমাধ্যম তাদের বিরুদ্ধে অনেক সময় কিছু লেখে, তারা সে বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেন না, কারণ তারা গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। তিনি আরও বলেন, একটি ‘অর্বাচীন বালক’ যেভাবে গণমাধ্যমকে আক্রমণ করে কথা বলছেন এবং হুমকি দিচ্ছেন, তা ৭১-এর যুদ্ধ এবং দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের সংগ্রাম সংগঠিত হওয়ার মূল চেতনার পরিপন্থী।