ঢাকা ০২:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

মৌলভীবাজার-৪: চাঁদাবাজিমুক্ত ও সমৃদ্ধ জনপদ গড়ার প্রতিশ্রুতি হাজি মুজিবের

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪৯:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনে নির্বাচনী প্রচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক অঙ্গন। এই আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মুজিবুর রহমান চৌধুরী (হাজি মুজিব) বিরামহীন গণসংযোগ ও পথসভার মাধ্যমে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন। গত ২২ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণা শুরুর পর থেকে প্রতিদিন তিনি শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ে ব্যাপক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।

নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে এই দুই উপজেলাজুড়ে বর্তমানে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। বিভিন্ন পথসভা ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশে অংশ নিয়ে ধানের শীষের প্রার্থী মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী বলেন, সারাদেশে ধানের শীষের পক্ষে একটি গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষ এখন পরিবর্তনের প্রত্যাশায় বিএনপিকে আবারও রাষ্ট্রক্ষমতায় দেখতে চায়। তিনি মৌলভীবাজার-৪ আসনকে একটি আধুনিক, উন্নত ও সমৃদ্ধ এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

জনগণের উদ্দেশে হাজি মুজিব বলেন, নির্বাচিত হলে এই এলাকায় কোনো ধরনের জুলুম-অত্যাচার সহ্য করা হবে না। বিশেষ করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কিংবা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে ঘরবাড়ি নির্মাণের ক্ষেত্রে কাউকে কোনো ধরনের চাঁদা দিতে হবে না। চাঁদাবাজিমুক্ত একটি নিরাপদ সমাজ গড়ে তোলাই হবে তার প্রধান লক্ষ্য।

ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতির ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি আরও বলেন, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ সকল ধর্মাবলম্বী মানুষের অধিকার নিশ্চিত করে একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাংলাদেশ গঠন করা হবে। কোনো সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ওপর নিপীড়ন চালানো যাবে না এবং মেহনতি মানুষের অধিকার রক্ষায় প্রশাসনকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে বাধ্য করা হবে।

এলাকার অর্থনৈতিক ও পর্যটন খাতের উন্নয়ন প্রসঙ্গে হাজি মুজিব বলেন, শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ পর্যটনসমৃদ্ধ এলাকা হওয়া সত্ত্বেও বিগত দিনে এখানে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। তিনি নির্বাচিত হলে পর্যটন খাতের আধুনিকায়ন এবং নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দেন। এছাড়া চা-বাগানের শ্রমিক, খাসিয়া জনগোষ্ঠীসহ সকল ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও তাদের কল্যাণে বিশেষ প্রকল্প গ্রহণের আশ্বাস দেন তিনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা ও অপরাধ দমনে ৮ এপিবিএনের কঠোর অবস্থান

মৌলভীবাজার-৪: চাঁদাবাজিমুক্ত ও সমৃদ্ধ জনপদ গড়ার প্রতিশ্রুতি হাজি মুজিবের

আপডেট সময় : ১১:৪৯:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনে নির্বাচনী প্রচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক অঙ্গন। এই আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মুজিবুর রহমান চৌধুরী (হাজি মুজিব) বিরামহীন গণসংযোগ ও পথসভার মাধ্যমে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন। গত ২২ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণা শুরুর পর থেকে প্রতিদিন তিনি শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ে ব্যাপক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।

নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে এই দুই উপজেলাজুড়ে বর্তমানে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। বিভিন্ন পথসভা ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশে অংশ নিয়ে ধানের শীষের প্রার্থী মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী বলেন, সারাদেশে ধানের শীষের পক্ষে একটি গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষ এখন পরিবর্তনের প্রত্যাশায় বিএনপিকে আবারও রাষ্ট্রক্ষমতায় দেখতে চায়। তিনি মৌলভীবাজার-৪ আসনকে একটি আধুনিক, উন্নত ও সমৃদ্ধ এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

জনগণের উদ্দেশে হাজি মুজিব বলেন, নির্বাচিত হলে এই এলাকায় কোনো ধরনের জুলুম-অত্যাচার সহ্য করা হবে না। বিশেষ করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কিংবা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে ঘরবাড়ি নির্মাণের ক্ষেত্রে কাউকে কোনো ধরনের চাঁদা দিতে হবে না। চাঁদাবাজিমুক্ত একটি নিরাপদ সমাজ গড়ে তোলাই হবে তার প্রধান লক্ষ্য।

ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতির ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি আরও বলেন, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ সকল ধর্মাবলম্বী মানুষের অধিকার নিশ্চিত করে একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাংলাদেশ গঠন করা হবে। কোনো সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ওপর নিপীড়ন চালানো যাবে না এবং মেহনতি মানুষের অধিকার রক্ষায় প্রশাসনকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে বাধ্য করা হবে।

এলাকার অর্থনৈতিক ও পর্যটন খাতের উন্নয়ন প্রসঙ্গে হাজি মুজিব বলেন, শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ পর্যটনসমৃদ্ধ এলাকা হওয়া সত্ত্বেও বিগত দিনে এখানে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। তিনি নির্বাচিত হলে পর্যটন খাতের আধুনিকায়ন এবং নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দেন। এছাড়া চা-বাগানের শ্রমিক, খাসিয়া জনগোষ্ঠীসহ সকল ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও তাদের কল্যাণে বিশেষ প্রকল্প গ্রহণের আশ্বাস দেন তিনি।