আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে তরুণ ও নারী ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী। তিনি বলেছেন, এবারের নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ মানুষ স্বাধীনভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। একইসঙ্গে, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য কৃষি কার্ড, ফ্যামিলি কার্ডের পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নারীদের নির্বিঘ্ন চলাচলের নিরাপত্তা বিধানই তাদের প্রধান অঙ্গীকার।
শুক্রবার সকালে সীতাকুণ্ড পৌর সদরে গণসংযোগকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী বলেন, এবারের নির্বাচনে তরুণ প্রজন্ম প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছে। তাদের পাশাপাশি প্রবীণরাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি ভোটারদের প্রতি পরিবার-পরিজনসহ ভোটকেন্দ্রে এসে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান।
সীতাকুণ্ড পৌরসভাকে সারা দেশের মধ্যে একটি মডেল পৌরসভায় রূপান্তরের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে আসলাম চৌধুরী বলেন, সঠিক পরিকল্পনা ও বাস্তবমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করা গেলে এটি সম্ভব। তিনি সীতাকুণ্ডকে সম্প্রীতির জনপদ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এখানে ধর্মীয় উগ্রবাদের কোনো স্থান নেই। যারা উগ্রবাদ সৃষ্টি করে ফায়দা হাসিল করতে চায়, তাদের সেই উদ্দেশ্য কখনোই সফল হবে না।
একই দিন বিকেলে চট্টগ্রাম নগরীর উত্তর পাহাড়তলী ও কর্নেল হাট এলাকায় অনুষ্ঠিত মহিলা সমাবেশে অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নারী ও তরুণ প্রজন্ম ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। এবারের নির্বাচন তাদের জন্য নতুন আশার সঞ্চার করেছে। তিনি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কৃষি কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডের পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উপর জোর দেন। নারীদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি অঙ্গীকার করেন, মা-বোনেরা যেন নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে চলাফেরা করতে পারে, তা নিশ্চিত করাই হবে বিএনপি’র অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
রিপোর্টারের নাম 

























