চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডকে কেবল আঞ্চলিক নয়, বরং জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরী। তিনি বলেন, সাগরঘেরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি বাঁশবাড়ীয়া এবং শিল্পসমৃদ্ধ সোনাইছড়িকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিত উন্নয়ন বাস্তবায়ন করা গেলে সীতাকুণ্ড হবে দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির অন্যতম প্রাণকেন্দ্র।
বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী নির্বাচনি গণসংযোগের অংশ হিসেবে সকালে বাঁশবাড়ীয়া এবং বিকেলে সোনাইছড়ি এলাকায় স্থানীয় জনগণের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
আসলাম চৌধুরী সীতাকুণ্ডের পর্যটন খাতের সম্ভাবনা তুলে ধরে বলেন, উপকূলীয় অঞ্চল বাঁশবাড়ীয়াকে ঘিরে পর্যটনের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব পরিকল্পনার মাধ্যমে যদি এই খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো যায়, তবে তা স্থানীয় অর্থনীতিতে ব্যাপক গতি সঞ্চার করবে। পর্যটন শিল্পকে ‘ব্লু ইকোনমি’ বা নীল অর্থনীতির একটি শক্তিশালী উপাদান হিসেবে গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, এর ফলে এলাকায় বড় ধরনের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
অঞ্চলটির শিল্পায়ন প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, সোনাইছড়ির শিপইয়ার্ড ও কলকারখানাগুলো জাতীয় অর্থনীতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। তবে এই শিল্পগুলোকে টেকসই করতে পরিবেশবান্ধব নীতিমালার আওতায় আধুনিকায়ন করা জরুরি। শিল্প ও পরিবেশের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে সীতাকুণ্ডকে একটি আধুনিক ও আদর্শ শিল্পাঞ্চল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার অঙ্গীকার করেন তিনি।
বেকারত্ব দূরীকরণকে নিজের প্রধান লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করে আসলাম চৌধুরী বলেন, সীতাকুণ্ডকে কর্মচঞ্চল শিল্প ও পর্যটন অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলা হবে। শিল্পে বিনিয়োগের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে বেকারত্ব কমবে, আর কর্মসংস্থান বাড়লে সমাজে অপরাধ প্রবণতাও স্বাভাবিকভাবে হ্রাস পাবে।
উন্নয়নের রূপরেখা ব্যাখ্যা করে তিনি আরও বলেন, উন্নত সড়ক যোগাযোগ, নিরাপদ আবাসন এবং পর্যটনবান্ধব অবকাঠামো নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। একটি সুপরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমেই সীতাকুণ্ডে টেকসই অর্থনৈতিক বিপ্লব ঘটানো সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
রিপোর্টারের নাম 
























