বক্তারা বলেছেন, ‘স্বাধীন বিচার বিভাগ না থাকলে একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়া সম্ভব নয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সংস্কারের যে কাজগুলো করছে, তার অগ্রগতি খুবই হতাশাজনক। সংস্কার কমিশন যে কাজগুলো করছে, সেগুলোর সাথে জনগণকে আরও বেশি করে জড়ানো দরকার।’
বুধবার (২৯ অক্টোবর) বাঙলাদেশ লেখক শিবির-এর সুপ্রিম কোর্ট বার শাখা ‘গণতান্ত্রিক আন্দোলনে পেশাজীবীদের ভূমিকা’ নামে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করে। সেখানেই বক্তারা এসব মতামত দেন।
সুপ্রিম কোর্টের শামসুল হক চৌধুরী হলে আয়োজিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান খান। সভায় উপস্থিত ছিলেন বাঙলাদেশ লেখক শিবিরের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শফি রহমান, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি গোলাম মোহাম্মাদ চৌধুরী আলাল, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী নেতা কে এম জাবির, আব্দুল মোমেন চৌধুরী, শাহ আহমেদ বাদল এবং বাঙলাদেশ লেখক শিবির সুপ্রিম কোর্ট বার শাখার সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট হোসাইন মোহাম্মাদ শফিকুর রহমানসহ আরও অনেকে। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ওই শাখার আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মনোয়ারুল ইসলাম উজ্জ্বল।
আলোচনার সময় লেখক শিবিরের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শফি রহমান বলেন, ‘শেখ মুজিবের আমলে যে ৭২-এর সংবিধান তৈরি হয়েছিল, তার মধ্যেই এই দেশে একদলীয় শাসন আর ফ্যাসিবাদের বীজ বোনা হয়েছিল।’ তিনি বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রামে আইনজীবীদের ভূমিকার কথাও আলাদাভাবে স্মরণ করেন।
এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সংস্কারের জন্য অনেক কমিশন বানালেও, বিচার বিভাগকে স্বাধীন বা আলাদা করার জন্য কোনো আসল পদক্ষেপ এখন পর্যন্ত নেয়নি। অথচ একটা স্বাধীন বিচার বিভাগ ছাড়া গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠন অসম্ভব।’
আব্দুল মোমেন চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে যত গণতান্ত্রিক আন্দোলন হয়েছে, পেশাজীবীরা সব সময় তাতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, পরে যখনই রাজনৈতিক দলগুলো ক্ষমতায় এসেছে, তারা আর এই পেশাজীবীদের মতামতকে ঠিকমতো গুরুত্ব দেয়নি।’
রিপোর্টারের নাম 

























