ঢাকা ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

সীতাকুণ্ডকে আধুনিক ও কর্মমুখর জনপদে রূপান্তরের অঙ্গীকার আসলাম চৌধুরীর

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০১:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড সংসদীয় আসনে বিএনপির প্রার্থী অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী এলাকার বেকারত্ব দূরীকরণ এবং পরিকল্পিত শিল্পায়নের মাধ্যমে সীতাকুণ্ডকে একটি আধুনিক ও দক্ষ জনশক্তিনির্ভর জনপদে রূপান্তরের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সীতাকুণ্ডের সলিমপুর ও কাট্টলি এলাকায় ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থনে আয়োজিত গণসংযোগ ও পথসভায় তিনি এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

নির্বাচনী প্রচারণাকালে অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী স্থানীয় সাংবাদিকদের বলেন, সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই প্রমাণ করে যে জনগণ একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে সীতাকুণ্ডের মানুষ ধানের শীষ প্রতীকের ওপর আস্থা রাখবে এবং বিপুল ভোটে জয়ী করবে।

সীতাকুণ্ডের অর্থনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, এই এলাকাটি একটি অন্যতম শিল্পাঞ্চল হওয়ায় দিন-রাত কয়েক লাখ শ্রমিকের পদচারণায় মুখর থাকে। শ্রমিকসহ সাধারণ মানুষের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হবে। একইসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান তিনি। শিল্প মালিক ও বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, নতুন শিল্প স্থাপন ও বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা হবে, যাতে কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়।

নিজের এলাকার প্রতি আবেগঘন স্মৃতিচারণ করে আসলাম চৌধুরী বলেন, “আমার বাড়ি ভাটিয়ারী হলেও সলিমপুর ও পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষের সাথে আমার নাড়ির টান। তাদের প্রতিটি সুখ-দুঃখের সাথে আমি দীর্ঘকাল ধরে জড়িত। সলিমপুরকে কেন্দ্র করে একটি সুপরিকল্পিত উন্নয়ন কাঠামো গড়ে তোলা হবে, যা পুরো সীতাকুণ্ডের সমৃদ্ধির স্বর্ণদ্বার হিসেবে কাজ করবে।”

নির্বাচনী সংস্কৃতি ও শিষ্টাচার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা নেতিবাচক প্রচারণা নয়, বরং সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখাই তার লক্ষ্য। তিনি সকল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে বলেন, প্রার্থীরা যদি ব্যক্তিগত আক্রমণের পরিবর্তে নিজ নিজ যোগ্যতা ও উন্নয়ন পরিকল্পনা জনগণের সামনে তুলে ধরেন, তবে নির্বাচনী পরিবেশ আরও সুন্দর ও ফলপ্রসূ হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নকলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ইলেকট্রিক মিস্ত্রির করুণ মৃত্যু, পিকআপ আটক

সীতাকুণ্ডকে আধুনিক ও কর্মমুখর জনপদে রূপান্তরের অঙ্গীকার আসলাম চৌধুরীর

আপডেট সময় : ০৩:০১:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড সংসদীয় আসনে বিএনপির প্রার্থী অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী এলাকার বেকারত্ব দূরীকরণ এবং পরিকল্পিত শিল্পায়নের মাধ্যমে সীতাকুণ্ডকে একটি আধুনিক ও দক্ষ জনশক্তিনির্ভর জনপদে রূপান্তরের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সীতাকুণ্ডের সলিমপুর ও কাট্টলি এলাকায় ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থনে আয়োজিত গণসংযোগ ও পথসভায় তিনি এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

নির্বাচনী প্রচারণাকালে অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী স্থানীয় সাংবাদিকদের বলেন, সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই প্রমাণ করে যে জনগণ একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে সীতাকুণ্ডের মানুষ ধানের শীষ প্রতীকের ওপর আস্থা রাখবে এবং বিপুল ভোটে জয়ী করবে।

সীতাকুণ্ডের অর্থনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, এই এলাকাটি একটি অন্যতম শিল্পাঞ্চল হওয়ায় দিন-রাত কয়েক লাখ শ্রমিকের পদচারণায় মুখর থাকে। শ্রমিকসহ সাধারণ মানুষের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হবে। একইসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান তিনি। শিল্প মালিক ও বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, নতুন শিল্প স্থাপন ও বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা হবে, যাতে কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়।

নিজের এলাকার প্রতি আবেগঘন স্মৃতিচারণ করে আসলাম চৌধুরী বলেন, “আমার বাড়ি ভাটিয়ারী হলেও সলিমপুর ও পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষের সাথে আমার নাড়ির টান। তাদের প্রতিটি সুখ-দুঃখের সাথে আমি দীর্ঘকাল ধরে জড়িত। সলিমপুরকে কেন্দ্র করে একটি সুপরিকল্পিত উন্নয়ন কাঠামো গড়ে তোলা হবে, যা পুরো সীতাকুণ্ডের সমৃদ্ধির স্বর্ণদ্বার হিসেবে কাজ করবে।”

নির্বাচনী সংস্কৃতি ও শিষ্টাচার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা নেতিবাচক প্রচারণা নয়, বরং সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখাই তার লক্ষ্য। তিনি সকল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে বলেন, প্রার্থীরা যদি ব্যক্তিগত আক্রমণের পরিবর্তে নিজ নিজ যোগ্যতা ও উন্নয়ন পরিকল্পনা জনগণের সামনে তুলে ধরেন, তবে নির্বাচনী পরিবেশ আরও সুন্দর ও ফলপ্রসূ হবে।