আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটারদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সক্রিয় অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরতে নীলফামারীতে এক ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত এই সম্মেলনে জেলার বিভিন্ন মসজিদ ও মাদ্রাসার ইমাম, খতিব এবং আলেম-ওলামাগণ অংশগ্রহণ করেন। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ যৌথভাবে এই সম্মেলনের আয়োজন করে।
সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম (পিপিএম)। ইসলামিক ফাউন্ডেশন নীলফামারীর উপপরিচালক মোছাদ্দিকুল আলম অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, গণতন্ত্রের প্রকৃত শক্তি জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগে নিহিত। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য ভোটারদের সচেতন সিদ্ধান্ত গ্রহণ অপরিহার্য। দেশের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনতে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সক্রিয় ও সচেতনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। এক্ষেত্রে মসজিদভিত্তিক ইমামদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম (পিপিএম) আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের সহিংসতা, গুজব বা বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে পুলিশের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানের কথা জানান। তিনি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
সভাপতির বক্তব্যে মোছাদ্দিকুল আলম বলেন, জাতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ভোটাধিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ আমানত। দায়িত্বশীল ও নৈতিক নেতৃত্ব নির্বাচনের জন্য ধর্মীয় ও সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে জনগণকে সচেতন করা জরুরি। তিনি আরও বলেন, ইমামগণ যদি খুতবা ও ধর্মীয় আলোচনার মাধ্যমে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভোটাধিকার প্রয়োগের গুরুত্ব তুলে ধরেন, তবে সমাজে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন ত্বরান্বিত হবে।
এ সময় উপস্থিত ইমাম ও খতিবগণ নিজ নিজ এলাকায় ভোটার সচেতনতা বৃদ্ধিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
রিপোর্টারের নাম 























