আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে পাবনা-১ আসনে বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীদের মধ্যে তীব্র বাগযুদ্ধ শুরু হয়েছে। সাবেক সংসদ সদস্য ও তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাইয়িদের বিএনপিতে যোগদানের পর এই বিতর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়ে আবু সাইয়িদ এখন আসনটিতে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শামসুর রহমানকে বিজয়ী করতে মাঠে নামার ঘোষণা দিয়েছেন। এর ফলে রাজনৈতিক অঙ্গনে এক ধরনের উত্তেজনা বিরাজ করছে।
আসনটিতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দলটির সাবেক আমির মরহুম মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন। আবু সাইয়িদের বিএনপিতে যোগদানের বিষয়ে তার অভিযোগ, বিএনপি ফ্যাসিবাদ পুনঃপ্রতিষ্ঠার ষড়যন্ত্র করছে এবং এই ধরনের তৎপরতা প্রতিহত করা হবে।
এদিকে, সীমানা জটিলতা নিরসনের পর নতুন তফসিল অনুযায়ী গত মঙ্গলবার পাবনা-১ ও ২ আসনে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক শাহেদ মোস্তফা প্রার্থীদের হাতে প্রতীক তুলে দেন।
প্রতীক পাওয়ার পর ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন গণমাধ্যমকে বলেন, “ফ্যাসিবাদের দোসর আবু সাইয়িদকে নির্বাচনী মাঠে নামিয়ে পরিবেশ নষ্টের চেষ্টা চলছে।” তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, আগামী ৩১ জানুয়ারি আবু সাইয়িদকে সংবর্ধনা জানাতে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রার পরিকল্পনা ‘গণমানুষের সঙ্গে প্রতারণা’। এ বিষয়ে প্রশাসন ব্যবস্থা না নিলে জনরোষ সৃষ্টি হতে পারে এবং তার দায় প্রশাসনকেই নিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নাজিবুর রহমান মোমেনের অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শামসুর রহমান বলেন, “অধ্যাপক আবু সাইয়িদ ফ্যাসিবাদী নন।” তিনি জানান, “আবু সাইয়িদ দীর্ঘদিন ফ্যাসিবাদী দল থেকে দূরে ছিলেন এবং অতীতে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচনও করেছেন।” শামসুর রহমান আরও বলেন, একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে তিনি বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন এবং তার এই যোগদানে বিএনপি আরও শক্তিশালী হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























