ঢাকা ১১:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

জামায়াত আমিরের আহ্বান: আগামীর রাজনীতি হোক জনমুখী, পুরোনো ব্যবস্থার পরিবর্তনে জোর

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১০:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতি কোনো নির্দিষ্ট দলের নয়, বরং জনগণের কল্যাণে নিবেদিত হতে হবে। পুরোনো ও অপ্রয়োজনীয় রাজনীতি পরিহার করে নতুন ধারার জনমুখী রাজনীতি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান তিনি। মঙ্গলবার সকালে যশোরের এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ডা. শফিকুর রহমান আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়ী না হলে সরকার গঠন করে কোনো লাভ হবে না। তাঁর মতে, ‘হ্যাঁ’ মানে স্বাধীনতা এবং ‘না’ মানে পরাধীনতা।

ক্ষমতায় গেলে যশোরকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি দেন জামায়াত আমির। তিনি আরও বলেন, দেশের বেকার যুবকদের জন্য সম্মানজনক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। দেশের তরুণ সমাজের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, যে তরুণরা ফ্যাসিবাদকে হটিয়েছে, তারা এখনো জেগে আছে। তারা পুরোনো বন্দোবস্তের পরিবর্তন চায় এবং একটি নতুন ব্যবস্থার স্বপ্ন দেখে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় ৪ জনের প্রাণহানি, ইরানের কঠোর হুঁশিয়ারি

জামায়াত আমিরের আহ্বান: আগামীর রাজনীতি হোক জনমুখী, পুরোনো ব্যবস্থার পরিবর্তনে জোর

আপডেট সময় : ১১:১০:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতি কোনো নির্দিষ্ট দলের নয়, বরং জনগণের কল্যাণে নিবেদিত হতে হবে। পুরোনো ও অপ্রয়োজনীয় রাজনীতি পরিহার করে নতুন ধারার জনমুখী রাজনীতি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান তিনি। মঙ্গলবার সকালে যশোরের এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ডা. শফিকুর রহমান আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়ী না হলে সরকার গঠন করে কোনো লাভ হবে না। তাঁর মতে, ‘হ্যাঁ’ মানে স্বাধীনতা এবং ‘না’ মানে পরাধীনতা।

ক্ষমতায় গেলে যশোরকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি দেন জামায়াত আমির। তিনি আরও বলেন, দেশের বেকার যুবকদের জন্য সম্মানজনক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। দেশের তরুণ সমাজের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, যে তরুণরা ফ্যাসিবাদকে হটিয়েছে, তারা এখনো জেগে আছে। তারা পুরোনো বন্দোবস্তের পরিবর্তন চায় এবং একটি নতুন ব্যবস্থার স্বপ্ন দেখে।