ঢাকা ০৯:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

ফেনী-৩: নির্বাচনী প্রচারে প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীর আন্তরিক কোলাকুলি

ফেনী-৩ আসনে নির্বাচনী প্রচারণার সময় প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থী—বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. ফখরুদ্দিন মানিক—এক ব্যতিক্রমী সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে একে অপরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে দাগনভূঞা উপজেলার পূর্বচন্দ্রপুর ইউনিয়নের কাজিরপোল এলাকায় এই দুই প্রার্থীকে আন্তরিকভাবে আলিঙ্গন করতে দেখা যায়, যা উপস্থিত কর্মী-সমর্থক ও ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি করে।

সাক্ষাৎকালে বিএনপি প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু জামায়াত প্রার্থী ডা. ফখরুদ্দিন মানিককে বুকে জড়িয়ে ধরে তাঁর জন্য দোয়া চান। উত্তরে ডা. ফখরুদ্দিন মানিক মিন্টুকে বড় ভাই সম্বোধন করে নিজের জন্যও দোয়া কামনা করেন। তিনি বলেন, “ভোটের মাঠে আমরা একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও ভোটের পর আমরা সবাই ভাই। অতীতে আমরা বহু মঞ্চে একসঙ্গে কাজ করেছি এবং ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও এই সম্পর্ক বজায় থাকবে।”

দুই প্রার্থীর এমন পারস্পরিক শ্রদ্ধা, শিষ্টাচার ও সৌজন্যমূলক আচরণ উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের মুগ্ধ করে। রাজনৈতিক অঙ্গনে এমন সৌহার্দ্যপূর্ণ দৃশ্যের একটি ভিডিও দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করে এবং দ্রুত ভাইরাল হয়।

গণসংযোগকালে বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে ছিলেন দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও তাঁর সহোদর ছোট ভাই আকবর হোসেন এবং বিএনপি নেতা ও ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলামসহ বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী। অপরদিকে, জামায়াত প্রার্থীর সঙ্গে ছিলেন দলটির ঢাকা দক্ষিণের শূরা সদস্য ও ব্যবসায়ী মেসবাহ উদ্দিন সাঈদসহ দলীয় কর্মীরা।

এ বিষয়ে ডা. মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিক জানান, আবদুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক রয়েছে এবং তিনি তাঁকে স্নেহধন্য বড় ভাই হিসেবে সম্মান করেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, মনোনয়নপত্র দাখিলের দিনও তাঁদের মধ্যে কোলাকুলি হয়েছিল। ডা. মানিক বলেন, “পদ্ধতিগত কারণে আমরা দুই দলের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। জয়-পরাজয় মহান আল্লাহর হাতে। তবে মিন্টু ভাইয়ের সঙ্গে আমার সুসম্পর্ক সব সময়ই অটুট থাকবে।”

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাইরাল হওয়ার নেশা: সড়কে বাড়ছে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি

ফেনী-৩: নির্বাচনী প্রচারে প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীর আন্তরিক কোলাকুলি

আপডেট সময় : ০৯:২৯:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

ফেনী-৩ আসনে নির্বাচনী প্রচারণার সময় প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থী—বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. ফখরুদ্দিন মানিক—এক ব্যতিক্রমী সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে একে অপরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে দাগনভূঞা উপজেলার পূর্বচন্দ্রপুর ইউনিয়নের কাজিরপোল এলাকায় এই দুই প্রার্থীকে আন্তরিকভাবে আলিঙ্গন করতে দেখা যায়, যা উপস্থিত কর্মী-সমর্থক ও ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি করে।

সাক্ষাৎকালে বিএনপি প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু জামায়াত প্রার্থী ডা. ফখরুদ্দিন মানিককে বুকে জড়িয়ে ধরে তাঁর জন্য দোয়া চান। উত্তরে ডা. ফখরুদ্দিন মানিক মিন্টুকে বড় ভাই সম্বোধন করে নিজের জন্যও দোয়া কামনা করেন। তিনি বলেন, “ভোটের মাঠে আমরা একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও ভোটের পর আমরা সবাই ভাই। অতীতে আমরা বহু মঞ্চে একসঙ্গে কাজ করেছি এবং ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও এই সম্পর্ক বজায় থাকবে।”

দুই প্রার্থীর এমন পারস্পরিক শ্রদ্ধা, শিষ্টাচার ও সৌজন্যমূলক আচরণ উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের মুগ্ধ করে। রাজনৈতিক অঙ্গনে এমন সৌহার্দ্যপূর্ণ দৃশ্যের একটি ভিডিও দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করে এবং দ্রুত ভাইরাল হয়।

গণসংযোগকালে বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে ছিলেন দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও তাঁর সহোদর ছোট ভাই আকবর হোসেন এবং বিএনপি নেতা ও ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলামসহ বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী। অপরদিকে, জামায়াত প্রার্থীর সঙ্গে ছিলেন দলটির ঢাকা দক্ষিণের শূরা সদস্য ও ব্যবসায়ী মেসবাহ উদ্দিন সাঈদসহ দলীয় কর্মীরা।

এ বিষয়ে ডা. মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিক জানান, আবদুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক রয়েছে এবং তিনি তাঁকে স্নেহধন্য বড় ভাই হিসেবে সম্মান করেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, মনোনয়নপত্র দাখিলের দিনও তাঁদের মধ্যে কোলাকুলি হয়েছিল। ডা. মানিক বলেন, “পদ্ধতিগত কারণে আমরা দুই দলের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। জয়-পরাজয় মহান আল্লাহর হাতে। তবে মিন্টু ভাইয়ের সঙ্গে আমার সুসম্পর্ক সব সময়ই অটুট থাকবে।”