ঢাকা ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ফ্রান্সের উড়ন্ত সূচনা, এমবাপ্পের রেকর্ড গড়া জোড়া গোল

২০২৬ বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে শুভ সূচনা করেছে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত নিজেদের প্রথম ম্যাচে সেনেগালকে ৩-১ গোলে পরাজিত করেছে দিদিয়ের দেশমের দল। এই ম্যাচে ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে জোড়া গোল করে ফ্রান্সের হয়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড গড়েছেন, যেখানে তার আন্তর্জাতিক গোল সংখ্যা এখন ৫৮।

ম্যাচের প্রথমার্ধে ফরাসিরা ছিল কিছুটা ছন্দহীন। এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে, মাইকেল অলিসে এবং দেজিরে দুয়ে—চার তারকাকেই নিচে নেমে বল ধরতে দেখা যায়, যার ফলে আক্রমণে কাঙ্ক্ষিত ধার ছিল না। অন্যদিকে সেনেগাল প্রথমার্ধে বেশ কয়েকটি বিপজ্জনক আক্রমণ শানিয়েছিল, যার মধ্যে নিকোলাস জ্যাকসনের একটি শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে এবং ইসমাইলা সার একটি সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। এই সুযোগগুলো কাজে লাগাতে না পারার মাশুলই শেষ পর্যন্ত দিতে হয়েছে আফ্রিকান দলটিকে।

বিরতির পর কৌশল পরিবর্তন করেন কোচ দেশম। মাইকেল অলিসেকে মাঝমাঠে এনে দেম্বেলেকে উইংয়ে পাঠানোর পরই ম্যাচের চিত্র পাল্টে যায়। অলিসের নিখুঁত থ্রু-পাস থেকে এমবাপ্পে গোল করে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন। এরপর বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নেমে ব্যবধান বাড়ান ব্র্যাডলি বারকোলা। যোগ করা সময়ে ইব্রাহিম এমবায়ে সেনেগালের হয়ে একটি গোল শোধ করলেও, শেষ মুহূর্তে প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে দুর্দান্ত এক শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি পূর্ণ করে এমবাপ্পে ফ্রান্সের জয় নিশ্চিত করেন এবং নতুন রেকর্ড গড়েন।

প্রথমার্ধে নিষ্প্রভ থাকলেও দ্বিতীয়ার্থে অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠা ফ্রান্স এই ম্যাচেই তাদের শিরোপা জয়ের অন্যতম বড় দাবিদার হওয়ার সামর্থ্য প্রমাণ করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাইরাল হওয়ার নেশা: সড়কে বাড়ছে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি

বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ফ্রান্সের উড়ন্ত সূচনা, এমবাপ্পের রেকর্ড গড়া জোড়া গোল

আপডেট সময় : ০৮:১২:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

২০২৬ বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে শুভ সূচনা করেছে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত নিজেদের প্রথম ম্যাচে সেনেগালকে ৩-১ গোলে পরাজিত করেছে দিদিয়ের দেশমের দল। এই ম্যাচে ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে জোড়া গোল করে ফ্রান্সের হয়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড গড়েছেন, যেখানে তার আন্তর্জাতিক গোল সংখ্যা এখন ৫৮।

ম্যাচের প্রথমার্ধে ফরাসিরা ছিল কিছুটা ছন্দহীন। এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে, মাইকেল অলিসে এবং দেজিরে দুয়ে—চার তারকাকেই নিচে নেমে বল ধরতে দেখা যায়, যার ফলে আক্রমণে কাঙ্ক্ষিত ধার ছিল না। অন্যদিকে সেনেগাল প্রথমার্ধে বেশ কয়েকটি বিপজ্জনক আক্রমণ শানিয়েছিল, যার মধ্যে নিকোলাস জ্যাকসনের একটি শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে এবং ইসমাইলা সার একটি সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। এই সুযোগগুলো কাজে লাগাতে না পারার মাশুলই শেষ পর্যন্ত দিতে হয়েছে আফ্রিকান দলটিকে।

বিরতির পর কৌশল পরিবর্তন করেন কোচ দেশম। মাইকেল অলিসেকে মাঝমাঠে এনে দেম্বেলেকে উইংয়ে পাঠানোর পরই ম্যাচের চিত্র পাল্টে যায়। অলিসের নিখুঁত থ্রু-পাস থেকে এমবাপ্পে গোল করে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন। এরপর বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নেমে ব্যবধান বাড়ান ব্র্যাডলি বারকোলা। যোগ করা সময়ে ইব্রাহিম এমবায়ে সেনেগালের হয়ে একটি গোল শোধ করলেও, শেষ মুহূর্তে প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে দুর্দান্ত এক শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি পূর্ণ করে এমবাপ্পে ফ্রান্সের জয় নিশ্চিত করেন এবং নতুন রেকর্ড গড়েন।

প্রথমার্ধে নিষ্প্রভ থাকলেও দ্বিতীয়ার্থে অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠা ফ্রান্স এই ম্যাচেই তাদের শিরোপা জয়ের অন্যতম বড় দাবিদার হওয়ার সামর্থ্য প্রমাণ করেছে।