ঢাকা ০৯:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

জনগণের সম্পদে হাত দেব না: মেহেরপুরে তিনবার কসম কেটে জামায়াত আমির

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতি তাদের ওপর দায়িত্ব অর্পণ করলে জনগণের সম্পদে কোনোভাবে হাত দেবেন না। সোমবার দুপুরে মেহেরপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনি জনসভায় তিনি তিনবার আল্লাহর কসম কেটে এই দৃঢ় প্রতিশ্রুতি দেন।

জনসভায় ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তাঁরা জনগণের চৌকিদার হিসেবে আমানত রক্ষা করবেন। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের ব্যক্তিগত সম্পদ বৃদ্ধি হতে দেওয়া হবে না এবং প্রতি বছর তাঁদের আয়-ব্যয়ের হিসাব জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে। তিনি আরও অঙ্গীকার করেন, চাঁদাবাজদের পুনর্বাসন না করে বরং তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে তারা আর চাঁদাবাজিতে জড়িত না হয়।

জামায়াত আমির মেহেরপুর জেলার বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে বলেন, এই ছোট জেলায় মাত্র তিনটি উপজেলা রয়েছে এবং এখানকার মানুষ একে অপরকে চেনে। অথচ এই জেলাও চাঁদাবাজদের দখলে চলে গেছে। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, জনগণের ভোটে যদি তাঁরা ক্ষমতায় আসেন, তবে এই মানুষগুলোর দায়িত্ব তাঁরা নেবেন এবং তাদের কাজের ব্যবস্থা করবেন, যাতে তাদের চাঁদাবাজি করার প্রয়োজন না পড়ে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাইরাল হওয়ার নেশা: সড়কে বাড়ছে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি

জনগণের সম্পদে হাত দেব না: মেহেরপুরে তিনবার কসম কেটে জামায়াত আমির

আপডেট সময় : ০৮:৩৮:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতি তাদের ওপর দায়িত্ব অর্পণ করলে জনগণের সম্পদে কোনোভাবে হাত দেবেন না। সোমবার দুপুরে মেহেরপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনি জনসভায় তিনি তিনবার আল্লাহর কসম কেটে এই দৃঢ় প্রতিশ্রুতি দেন।

জনসভায় ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তাঁরা জনগণের চৌকিদার হিসেবে আমানত রক্ষা করবেন। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের ব্যক্তিগত সম্পদ বৃদ্ধি হতে দেওয়া হবে না এবং প্রতি বছর তাঁদের আয়-ব্যয়ের হিসাব জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে। তিনি আরও অঙ্গীকার করেন, চাঁদাবাজদের পুনর্বাসন না করে বরং তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে তারা আর চাঁদাবাজিতে জড়িত না হয়।

জামায়াত আমির মেহেরপুর জেলার বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে বলেন, এই ছোট জেলায় মাত্র তিনটি উপজেলা রয়েছে এবং এখানকার মানুষ একে অপরকে চেনে। অথচ এই জেলাও চাঁদাবাজদের দখলে চলে গেছে। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, জনগণের ভোটে যদি তাঁরা ক্ষমতায় আসেন, তবে এই মানুষগুলোর দায়িত্ব তাঁরা নেবেন এবং তাদের কাজের ব্যবস্থা করবেন, যাতে তাদের চাঁদাবাজি করার প্রয়োজন না পড়ে।